ঢাকা ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯

ইফতার সামগ্রীর দাম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২২ ১৩:৩৪:২৫ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২২ ১৬:৩৯:৫৭
ইফতার সামগ্রীর দাম বেড়েছে

এক রাতের ব্যবধানে ৬০ টাকার বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। ৮০ টাকার কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। তবে লেবুর দাম কিছুটা কমেছে। রোববার বাজারগুলোতে দেখা গেছে, পাইকারির তুলনায় খুচরায় অন্তত ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি আছে সব পণ্যের দাম। 

হঠাৎ করে, বেগুন মরিচ শসাসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে সরবরাহ কম থাকাকেই দায়ী করছে ব্যবসায়ীরা। এদিকে সবজি পণ্যের মধ্যে রোববার বাজারে বাড়তি আছে করলার দাম। অন্যান্য সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।

পাশাপাশি ইফতারের অন্যতম আকর্ষণীয় খাবার ‘ছোলা-মুড়ি’র অন্যতম উপাদান সরিষার তেল লিটারে বেড়েছে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। এছাড়া রমজান নির্ভর বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত আলু, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, ইসবগুলের ভুসি, ট্যাঙ, রুহ-আফজার দামও অহেতুক বাড়ানো হয়েছে।

প্রতি কেজি ছোলা ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা এক মাস আগে ৭০-৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, যা এক মাস আগে ৬৫-৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

প্রতি কেজি মাঝারিমানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায় যা এক মাস আগে ৪৫০-৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মান ও বাজারভেদে প্রতি কেজি বেসন বিক্রি হচ্ছে ৭০-১০০ টাকা। যা এক মাস আগে ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বুটের ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা যা এক মাস আগে ৫০-৬০ টাকা বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া ইফতারে শরবত তৈরিতে ব্যবহৃত-ইসবগুলের ভুসি, ট্যাঙ, রুহ-আফজার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি কেজি ইসবগুলের ভুসি এক মাস আগে ৬৫০-৮০০ টাকা বিক্রি হলেও এখন ৭৫০-৯০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি প্যাকেটজাত ট্যাঙ বিক্রি হয়েছে ১৩৫০ টাকা, যা আগে ১২০০ টাকা ছিল। ২৭৫ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতি লিটার রুহ-আফজা মাসের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। 

এদিকে, বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানিয়েছিলেন, রোজা ঘিরে ইফতার তৈরিতে যেসব পণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।



একাত্তর/ এনএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৪ দিন ১০ ঘন্টা আগে