ঢাকা ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

চাঁদাবাজি থেকে বাঁচতে রেলে নিত্যপণ্য পরিবহনের চিন্তা

নিজস্ব সংবাদদাতা, একাত্তর
প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২২ ২১:৪৫:৫৫
চাঁদাবাজি থেকে বাঁচতে রেলে নিত্যপণ্য পরিবহনের চিন্তা

চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার রেলপথে পণ্য পরিবহনের চিন্তা করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। অন্যদিকে চাঁদাবাজি হলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির প্রথম সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা জানান। 

তিনি বলেন, নিত্যপণ্য রেলে পরিবহন নিয়ে কাজ হচ্ছে। রেলে পণ্য আনলে পরিবহন খরচের ওপর একটা প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পথে পথে চাঁদাবাজি থেকে বাঁচা যাবে। 

তবে হঠাৎ করে রেলের ব্যবস্থা করাও মুশকিল। তারপরও বগুড়া, রংপুর পঞ্চগড় থেকে পণ্য সরবরাহে ক্ষেত্রে কিছু ডেডিকেটেড রেল রাখার অনুরোধ জানানো হবে। 

টিপু মুনশি বলেন, পণ্যের সরবরাহ, চাঁদাবাজিসহ পথে পথে ভোগান্তি কমলে পণ্যের দাম কমবে। ঢাকা শহরে পণ্যের সরবরাহ চেইন ঠিক রাখা দরকার।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, টাস্কফোর্স কমিটির প্রথম সভা আজকে হলো। সরবরাহ চেইন ঠিক রাখতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কে চাঁদাবাজির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। চাঁদাবাজি হলে তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে বাণিজ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন।

সভায় কারা চাঁদাবাজি করে সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, কোন একটি গ্রুপ নয়, বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন গ্রুপ চাঁদাবাজি করছে।  

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা সচেতন আছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কথা দিয়েছেন ব্যবস্থা নেবেন। যাতে ব্যবসায়ীরা কোথাও এ ধরনের চাঁদাবাজির খপ্পরে না পড়ে।  

অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা কোনো সহজ বিষয় নয়। উৎপাদন খরচ থেকে শুরু করে পরিবহন খরচ, পণ্যের লসসহ অন্যান্য খরচ হিসাব করে পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হয়। 

এখন একজন শাক বিক্রেতা যদি প্রতিদিন ৫০০ টাকা রোজগার না করে তাহলে সে চলবে কি করে। কারণ বর্তমানে একজন লেবারের মজুরি ৫০০ টাকা। 

এখন শাক বিক্রেতা যদি প্রতিদিন ৫০ আঁটি শাক বিক্রি করে সেখান থেকে সে ৫০০ টাকা আয় করতে চায়। এটাকে চিহ্নিত করতে হলে সরবরাহ বাড়িয়ে দিতে হবে। 

শাক সবজির বিষয়টি আমরা নিয়ন্ত্রণ করি না। এসব বিষয় থাকবে। এর একমাত্র উপায় হলো, সরবরাহ যদি যথেষ্ট করা যায় এবং পথে পথে যদি ভোগান্তিটা কমানো যায় তাহলে দাম কমবে।

তিনি বলেন, স্থান ভেদে পণ্যের দাম হয়। ঢাকা শহরের দাম দিয়ে কিন্তু সারাদেশের দাম নির্ণয় করা যায় না। ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে দুই কোটি মানুষ ঢাকায় আছি। 

আরও পড়ুন: বাসের যাত্রী তোলা প্রতিযোগিতায় অসহনীয় হচ্ছে যানজট

রংপুরের বাজারে ১০ টাকা বেগুন ঢাকাতে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। এজন্য ঢাকা শহরের সরবরাহটা বাড়ানো দরকার। সেখানে বাধা বিপত্তি অতিক্রম করা দরকার। 

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৯ দিন ২০ ঘন্টা আগে