ঢাকা ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

করোনায় ৮৭ শতাংশ শ্রমিক বেকার ও কর্মহীন ছিলো

কাবেরী মৈত্রেয়, একাত্তর
প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারী ২০২২ ১৬:৪৯:৩১ আপডেট: ১৩ জানুয়ারী ২০২২ ১৭:৩৮:৩১
করোনায় ৮৭ শতাংশ শ্রমিক বেকার ও কর্মহীন ছিলো

পরিবহণ, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা, এ তিন খাতে শতভাগ শ্রমিক, কোভিড-১৯ এর সময় ক্ষতির শিকার হয়েছে। এসময়ে এ তিন খাতের ৮৭ শতাংশ শ্রমিক বেকার ও কর্মহীন ছিলো। এসব শ্রমিকের আয় কমেছিলো প্রতি একশো টাকায় ৮১ টাকা। 

রাজধানীর চারশো শ্রমিকের ওপর জরিপ চালিয়ে এমন তথ্যই দিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট লেবার স্টাডিজ-বিলস। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর সরকারের দেয়া বিধি-নিষেধের কারণে স্থবির হয়ে পড়ে পরিবহণ খাত, দোকানপাট আর হোটেল রেস্তোরাঁসহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চাকা। 

এ সময় কাজ ও আয় হারিয়ে প্রতি একশো জনের ৮৫ জন শ্রমজীবী মানুষেরই বেঁচে থাকার লড়াই ছিলো। লকডাউনের সময় যে তিন খাতের শ্রমিকদের সবচেয়ে জীবন জীবিকায় সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তা ছিলো, তাদের দুর্দশার কথায় জানালো বিলস। 

বিলস বলছে, করোনা শুরুর পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে পরিবহন খাত। এ খাতের ৯০ শতাংশ শ্রমিকেরই আয় ও স্থায়ী চাকরির সুযোগ কমেছে। শুধু তাই নয়, গড়ে ৬৪ শতাংশ মানুষ বেঁচে থাকার লড়াইয়ে সঞ্চয় ভেঙ্গেছেন।

এ তালিকায় এগিয়ে হোটেল রেস্তোরাঁ শ্রমিকরা। বিলসের জরিপ বলছে, মাত্র ৩ শতাংশ শ্রমিক করোনার ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকারি প্রণোদনা পেয়েছে। 

এছাড়াও, শ্রমিকদের ভ্যাকসিন নেয়ার চিত্রও হতাশাজনক। বিলস বলছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ শ্রমিক এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছে।

বিলসের মতে, দেশ এগিয়ে গেলেও এখনও শ্রমিকবান্ধব নয় সরকার। এ কারণে করোনার মতো এমন দুর্বিপাক আসলে সামাল দিতে পারবে না শ্রমজীবিরা। তাই পরিস্থিতি উত্তরণে দশ দফা সুপারিশও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।



একাত্তর/ এনএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

১০ দিন ২ ঘন্টা আগে