ঢাকা ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

প্রমাণ নয়, ১৩ অভিযোগে বরখাস্ত দুদক কর্মকতা শরীফ

পারভেজ রেজা, একাত্তর
প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২০:০১:১১ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:২৩:৫৬
প্রমাণ নয়, ১৩ অভিযোগে বরখাস্ত দুদক কর্মকতা শরীফ

সুনির্দিষ্ট কোন প্রমাণ নয়, দুদকের সহাকারি উপ-পরিচালক শরীফ উদ্দিনকে বরখাস্ত করার কারণ হিসেবে ১৩টি অভিযোগের কথা জানিয়েছেন দুদক সচিব মাহবুব হোসেন।

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

দুদক সচিব বলেন, র‌্যাবের অভিযানে জব্দ করা ৯৪ লাখ টাকা দুদক অফিসের আলমারিতে নিজের জিম্মায় রেখেছিলেন ওই উপ-পরিচালক।

এছাড়া, কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করে শরীফ উদ্দিন অপরাধ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন দুদক সচিব।   

শরীফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে যে ১৩টি অভিযোগের মধ্যে দুই নম্বরে আছে, তিনি অনেককে ডেকে এনে হয়রানি করেছেন, যারা কোনভাবেই ঘটনা সংশ্লিষ্ট নয়।  

কিন্তু সে বিষয়ে কোন তদন্ত বা প্রমানের তথ্য সংবাদ সম্মেলনে হাজির করেননি দুদক সচিব। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় শরীফ উদ্দিনকে অপসারণ করা হয়েছে।

মাবুবব হোসেন বলেন, উপ-সহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন দুদকের নির্দেশিকা অনুসরণ করতেন না। তিনি চাকরি বিধি-বিধানের বাইরে গিয়ে অনেক অপকর্ম করেছেন।

তিনি বলেন, শরীফের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে তিনটি বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। অনেক অভিযোগ ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি রক্ষায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শরীফের বিরুদ্ধে অভিযোগ, র্যাবের অভিযানে কক্সবাজারের এক জরিপকারির কাছ থেকে ঘুষের জব্দকৃত প্রায় ৯৪ লাখ টাকা ট্রেজারিতে জমা না দিয়ে তিনি তার নিজের কাছে রেখেছেন, যা বেআইনী। যদিও এই টাকা দুদক অফিসেই অক্ষত অবস্থায় ছিলো।

শরীফের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ, তিনি বেআইনিভাবে ৩৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছিলেন। এটি করে তিনি কোন আর্থিক সুবিধা বা খারাপ উদ্দেশে শরিফ উদ্দিন করেছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের কোন জবাব দেননি দুদক সচিব।

শরিফ উদ্দিনের সাত বছরের চাকরির পর পর ছয় বছরই ‘অতি উত্তম’ কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন, কোন তদন্তের পর তিনি এতোটা অধম হলেন যে বরখাস্ত করা হলো এমন প্রশ্ন ছিলো দুদক সচিবের কাছে।

দুদকের প্রায় অর্ধেক কর্মকর্তা সরকারের বিভিন্ন ক্যাডার থেকে আসে। তাদের বিরুদ্ধে ৫৪/২ ধারা বলবৎ হয় না। কিন্তু দুদকের স্থায়ী কর্মকর্তা কর্মচারিদের বিরুদ্ধে এই ধারা কার্যকর হয়।

বিষয়টি বৈষম্যমুলক কিনা, এমন প্রশ্নে দুদক সচিব জানান, তারা অপরাধ করলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের চাকরিবিধি অনুযায়ি ব্যবস্থা নেয়া হয়।


একাত্তর/টিএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

১০ দিন ৩ ঘন্টা আগে