ঢাকা ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

শিক্ষার্থীদের নিজেদের মতো করে বড় হতে দিন : ঢাবি উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২২ ১৫:৫০:১৭
শিক্ষার্থীদের নিজেদের মতো করে বড় হতে দিন : ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেছেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের নিজেদের মতো করে বড় হতে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাদের নিজেদের মতো বড় হওয়ার সুযোগ দিন।

শুক্রবার (১০ জুন) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী। এখানে ১৮৫১টি আসনের বিপরীতে প্রায় এক লাখ সাড়ে ১৫ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। ঢাকায় প্রায় ৬৩ হাজার, বাদ বাকি ৫৩ হাজার ঢাকার বাইরে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সব মিলিয়ে এই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় একটি তুমুল প্রতিযোগিতা হবে। এটার (ক-ইউনিট) পরিধিও অনেক বড়।

ভিসি বলেন, ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আমরা খবর পেয়েছি, তারা কোনো সমস্যা ছাড়াই যথাযথভাবে ভালো পরীক্ষা পরিচালনা করছেন। আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। প্রশ্নপত্রের মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

পরিবেশ-ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আসা আমাদের শিক্ষার্থীরা এবং স্বেচ্ছাসেবকরা পরিবেশ সুন্দর রাখার বিষয়ে সচেষ্ট ছিলেন। তবে একটি বিষয়ে আমাদের পরিবর্তন লাগবে। পরীক্ষার দিনগুলোতে যখন ক্যাম্পাসে অনেক জনসমাগম হয়, তখন যেন যানবাহনগুলো বেশি প্রবেশ না করে। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আমরা যেন বেশি ভিড় না করি।

শিক্ষার্থীদের সব সময় চামচ দিয়ে খাইয়ে দেওয়ার দরকার নেই। তারা নিজেদের মতো করে বড় হলে দক্ষতা ও সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে বলে মন্তব্য করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

উপাচার্য আরও বলেন, ‘ঢাকার বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আমরা খবর পেয়েছি, তারা কোনো ধরনের সমস্যা ছাড়াই যথাযথভাবে ভালো পরীক্ষা পরিচালনা করছে। আমি শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও কথা বলেছি। প্রশ্নপত্রের মান ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারা খুব সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।’

পরিবেশ ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আসা আমাদের শিক্ষার্থীরা এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা পরিবেশ সুন্দর রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট ছিল। তবে একটি বিষয়ে পরিবর্তন আমাদের লাগবে। পরীক্ষার দিনগুলোতে যখন ক্যাম্পাসে অনেক জনসমাগম হয়, তখন যাতে যানবাহনগুলো বেশি প্রবেশ না করে। শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় আমরা যাতে বেশি ভিড় এখানে না করি। পরীক্ষার্থীদের জন্য যতটুকু প্রয়োজন তার জন্য আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়।’

অভিভাবকদের ক্যাম্পাসে ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘পরীক্ষার্থী সবার বয়স আঠারো বছর, তারা প্রত্যেকে খুবই বুদ্ধিমান ও দক্ষতাসম্পন্ন। দেশের সমাজ, মানুষ জাতি, সংস্কৃতির সঙ্গে তাদের নানাভাবে পরিচয় ঘটুক। এতে করে তারা দক্ষ গ্র্যাজুয়েট হওয়ার জন্য শক্তি পাবে।’

উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা দেশকে চিনুক, মানুষের সঙ্গে মিশুক। এই মিথস্ক্রিয়ার প্রয়োজন আছে। এটি যখন যে নিজে থেকে করবে তখন তার দক্ষতা, মনোবল ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে। সুতরাং শিক্ষার্থীদের সব সময় অভিভাবকদের চামচ দিয়ে খাইয়ে দেওয়ার দরকার নেই। এখন যেহেতু তাদের বয়স হয়েছে, সেহেতু তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিজেদের মতো কাজ করলে তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ তৈরি হবে।’


একাত্তর/এআর

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

১০ দিন ৩ ঘন্টা আগে