ঢাকা ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১ আশ্বিন ১৪২৯

ঋণ পরিশোধে কোনো সঙ্কট হবে না: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

অহিদুল ইসলাম, একাত্তর
প্রকাশ: ০৫ আগষ্ট ২০২২ ১৯:২৭:৫৯ আপডেট: ০৫ আগষ্ট ২০২২ ২৩:৪৪:৫০
ঋণ পরিশোধে কোনো সঙ্কট হবে না: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

গত এক আগস্ট ভারতের পত্রিকা ইকনোমিক টাইমসের এক নিবন্ধে বলা হয়, টালমাটাল বিশ্ব পরিস্থিতিতেও সঠিক পথেই হাঁটছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। পরদিন পাকিস্তানের দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে দেশটির সাবেক মুখ্য সচিব লেখেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছ থেকে শিখতে হবে।

বৈশ্বিক এ সঙ্কটের সময়ে যখন দুটি বিদেশি পত্রিকায় বাংলাদেশের সম্ভাবনা ও সঙ্কট উত্তরণের সাফল্যে কথা বলা হচ্ছে, তখন দেশের অনেক মানুষের মুখে হতাশার বাণীকে বুদ্ধিবৃত্তিক অপচর্চা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একাত্তরকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। 

কায়কাউস বলেন, ২০২৩ সালে জিডিপির ১৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় হবে ঋণ পরিশোধে। ২০৩০ সালে যা হতে পারে ৩০ শতাংশ।  তাই ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বাংলাদেশ কোনো সঙ্কটে পড়বে না।

তিনি জানান, জিডিপির ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ পরিশোধ করাকে স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়। 


প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব জানান, পহেলা আগস্ট ভারতের পত্রিকা ইকনোমিক টাইমসের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে- টালমাটাল বিশ্ব পরিস্থিতিতেও সঠিক পথেই হাঁটছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। 

এতে বলা হয়েছে, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতি সামালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে কড়াকড়ি, প্রবাসী আয়ে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা, বিলাসী পণ্যের আমদানি বন্ধ করার মতো সিদ্ধান্তগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।   

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় বিদেশিকর্মী নিয়োগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা

তিনি আরও জানান, পরদিন পাকিস্তানের দ্যা এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে দেশটির সাবেক মুখ্য সচিব লেখেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছ থেকে শিখতে হবে। এই নিবন্ধে তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অর্থনীতির তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে বলেছেন; ১৯৭০ এ যে দেশটির ৭০ শতাংশ মানুষ ছিলো দরিদ্র; সেই দেশ আছে পাকিস্তানের তুলনায় ৪৫ শতাংশ ধনী। শেখ হাসিনার সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত আর তার নেতৃত্বের কারণেই রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও প্রবাসী, রপ্তানি ও মাথাপিছু আয় বেড়েছে। 

 

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গ্যাস ভিত্তিক বড়ো কেন্দ্রগুলোর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে জ্বালানি তেলের নির্ভরতা কমে যাবে। দীর্ঘ মেয়াদে যার অর্থনৈতিক সুফল পাবে বাংলাদেশ। 


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৪ দিন ১১ ঘন্টা আগে