ঢাকা ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯

মামলার সাক্ষী শালিক পাখি: সুমন

বুলবুল আহমেদ জয়, ঢাকা
প্রকাশ: ১৯ আগষ্ট ২০২২ ১৮:৫৬:৩৩ আপডেট: ২১ আগষ্ট ২০২২ ১৭:৫৮:৩৬
মামলার সাক্ষী শালিক পাখি: সুমন

মামলার সাক্ষী একটি ‘শালিক পাখি’। কিছুটা অদ্ভুতুরে শোনালেও, নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমন কথাই লিখেছেন তুলুম হিট সিনেমা ‘হাওয়া’র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন। 

২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে সুমনের নামে মামলা করেছে বন বিভাগ। এই মামলাকে দৃষ্টি আকর্ষণের প্রচেষ্টা বলছেন আইনজীবীরা। 

তারা বলছেন, যে ধারায় এই মামলা করা হয়েছে সেটি প্রমাণ করা কঠিন। সিনেমার পরিচালকও জানিয়েছেন, তারা আইন লঙ্ঘনের মতো কিছু করেননি।

মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনায় হাওয়া সিনেমা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বইছে হাওয়া গরম। এবার সে হাওয়ায় তাল দিয়েছে বনপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। 

মামলা করেছে হাওয়ার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সিনেমায় খাঁচায় বন্দী শালিক পাখি ও সেটি পুড়িয়ে খাওয়ার দৃশ্য। মামলায় বলা হয়েছে এই দৃশ্য ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনের লংঘন। এ জন্য ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়েছে। 

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এই আবেদন করেছেন বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা।

আর্জিতে বলা হয়েছে, হাওয়া সিনেমায় পাখি আটকে রাখে দৃশ্যায়ন করে বন্যপ্রাণী আইনের ৩৮, ৪১ ও ৪৬ ধারার অপরাধ করা হয়েছে। এ জন্য  বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে করা মামলার আরজি আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।

এনিয়ে জানতে চাইলে ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম একাত্তরকে বলেন, হাওয়া সিনেমার জনপ্রিয়তা দেখে দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য এ মামলা করা হয়েছে। যে ধারায় এই মামলা হয়েছে তা এ সিনেমার জন্য প্রযোজ্য নয়। 

সিনেমার পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন বলছেন, সিনেমা বাস্তব নয়-কল্পনা। ছবিতে বাস্তবে কোন পাখি হত্যা করা হয়নি। তাই আইনেরও কোন লংঘন হয়নি। 

দেশের ২৪টি হলে মুক্তি পাওয়া হাওয়া এরই মধ্যে বছরের অন্যতম ব্যবসা সফল ছবি। মুক্তির আগেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।




একাত্তর/এসএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

৬ দিন ২২ ঘন্টা আগে