ঢাকা ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

ডেঙ্গুকে 'মহামারী' ঘোষণা করতে পারে নেপাল

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:৪৯:৪৪ আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৭:৫৪:৩২
ডেঙ্গুকে 'মহামারী' ঘোষণা করতে পারে নেপাল

নেপালে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব। দেশটির মহামারি ও রোগ নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত নেপালে মোট ২২ হাজার নয়শ' ৮৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে কমপক্ষে ২৯ জন।

বর্তমানে নেপালের ৭৭টি জেলার মধ্যে ৭৬টিতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং তৃতীয় প্রদেশ অর্থাৎ কাঠমান্ডু উপত্যকার পরিস্থিতি সবচেয়ে গুরুতর।

আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। 

জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়েছে ভেলে জানিয়েছে, দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের হার কমে যাওয়ার সাথে সাথে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। দৈনিক করোনা শানাক্ত পাঁচশ' এর নিচে নেমে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, সরকার দেশে ডেঙ্গু মহামারী ঘোষণা করার কথা ভাবছে। 

এদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মতে, প্রায় সারা দেশেই ডেঙ্গু শনাক্তের রেকর্ড হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ সংক্রমণেরই রিপোর্ট করা হয়নি এবং কর্তৃপক্ষ মোট শনাক্তের একটি সামান্য শতাংশই রেকর্ড করতে পারে।


কাঠমান্ডুর শুকরাজ ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ হাসপাতালের (এসটিআইডিএইচ) ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ইউনিটের প্রধান শের বাহাদুর পুন বলেছেন, অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যান না কারণ তারা রোগটিকে একটি মৌসুমী ভাইরাল সংক্রমণ ও ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই বলে মনে করেন।

তিনি বলেন, কিছু ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায়, পুরো পরিবার সংক্রামিত হয়েছে। কিন্তু পরিবারের মাত্র এক বা দুইজন সদস্য ডাক্তারের কাছে এসেছেন এবং শুধুমাত্র এই ঘটনাগুলো রেকর্ড করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: রহিমার নিখোঁজ নাটকের পুরোটাই সাজানো?

কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর পর্যাপ্ত মনিটরিং এবং টেস্টিং ক্ষমতার অভাবের কথা উল্লেখ করেছেন। তবে তারা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করছেন বলে জানান। 

ডেঙ্গু প্রাথমিকভাবে গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে বেশি ছড়ায়। প্রায়শই এটি মারাত্মক হতে পারে। এটি একটি মশাবাহিত রোগ যা স্ত্রী এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশা দ্বারা ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে একই ভেক্টর চিকুনগুনিয়া, হলুদ জ্বর এবং জিকা ভাইরাসও প্রেরণ করে। ডেঙ্গুর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে হালকা থেকে উচ্চ জ্বর, তীব্র পেশীতে ব্যথা, ফুসকুড়ি, তীব্র মাথাব্যথা এবং চোখে ব্যথা।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads
ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

২ মাস ১২ দিন আগে