ঢাকা ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

আগামী সপ্তাহে চালু হচ্ছে বিআরটি’র একটি ফ্লাইওভার

জেমসন মাহবুব, একাত্তর
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২০:২৮:১০
আগামী সপ্তাহে চালু হচ্ছে বিআরটি’র একটি ফ্লাইওভার

গাজীপুর থেকে ঢাকাগামী যাত্রীদের দুর্ভোগের অবসান হচ্ছে এবার আগামী সপ্তাহে খুলে দেয়া হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের একটি ফ্লাইওভার।

যান চলাচলের জন্য টঙ্গী স্টেশন রোড ও আব্দুল্লাহপুরের পর উত্তরা হাউসবিল্ডিং এলাকার মধ্যে এই ফ্লাইওভারটি আগামী সপ্তাহে আংশিকভাবে খুলে দেয়া হবে।

এখন চলছে সড়ক ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি অস্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা বেষ্টনিও সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব জানিয়েছেন, এটি খুলে দেয়ার পর শুরু হবে টঙ্গী ব্রিজের কাজ

কাজ শুরুর প্রায় এক দশক পর বিআরটি প্রকল্পের ছয়টি লেনের মধ্যে দুটি ঢাকাগামী লেন সব ধরনের যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

ফ্লাইওভারটির পুরো দৈর্ঘ্য ৪.৫ কিলোমিটার। এরমধ্যে ২.২ কিলোমিটার খুলে দেয়া হচ্ছে যানজট নিরসনের জন্য। যার কাজ শেষ করে এনেছে কর্তৃপক্ষ।

গোটা বিআরটি প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ২০ দশমিক ৫ কিলোমিটার। উত্তরা হাউজবিল্ডিং থেকে টঙ্গি ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত ফ্লাইওভারের ৬ লেনের মধ্যে দুই লেন চালু হবে

এরপর ফ্লাইওভার দিয়ে পারাপার হতে পারবে ঢাকামুখী যে কোনো ধরণের যানবাহন তবে তিন চাকার কোনো যান চলতে পারবে না এই ফ্লাইওভার দিয়ে

খুলে দেয়ার আগে সব ধরণের নিরপত্তরার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ও ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ তাদের পরামর্শ মতোই সব ব্যবস্থা নিচ্ছে বিআরটি কর্তৃপক্ষ

সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, ফ্লাইওভারের একাংশ চালু হলে ঢাকামুখী গাড়িগুলো সরাসরি ফ্লাইওভার হয়ে চলে আসবে

তিনি আরও বলেন, এটি খুলে দেওয়া হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের যানজট কমে যাবে। মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।

এরপর, টঙ্গির ঝুকিপূর্ণ দুই লেনের ব্রিজটি অপসারণ করা হবে সেখানে নির্মাণ করা হবে পাঁচ লেনের নতুন সেতু এতে এই সড়কে যান চলাচল আরো দ্রুত হবে।

বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ২০১২ সালের নভেম্বরে শুরু হয়েছিল।২০৩৭.৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রকল্পের কাজ ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন: পঞ্চগড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭, নিখোঁজ ৪৩

তবে, বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। সবশেষ সময়সীমা ঠিক করা হয় এ বছরের ডিসেম্বর। প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৬৮.৩ কোটি টাকা।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৮০ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে, তবে বাকি কাজ শেষ করতে এক বছর সময় লাগবে। ২০২৩  সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads
ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

২ মাস ৯ দিন আগে