ঢাকা ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

রহিমা বেগম ও মরিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাবাজির অভিযোগ

রকিব উদ্দিন পান্নু, খুলনা
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:২৩:২৮
রহিমা বেগম ও মরিয়ামের বিরুদ্ধে মামলাবাজির অভিযোগ

নিখোঁজের ২৯ দিন পর উদ্ধার রহিমা বেগম এখন ঢাকায়। রোববার দিবাগত রাত ন’টায় খুলনা থেকে রওয়ানা দিয়ে রাত আড়াইটার দিকে তিনি ঢাকায় পৌঁছান।

রহিমা বেগমের সঙ্গে মেয়ে মরিয়ম মরিয়ম, আদুরী ও বড় দুলাভাইও ঢাকায় এসেছেন। মরিয়ম জানান, খুলনায় তার মা নিরাপদ বোধ করছেন না, তাই ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, নিরাপদে ঢাকার বসুন্ধরার বাসায় পৌঁছেছেন তারা। সোমবার রহিমা বেগম চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। তার ওপর জোর দিচ্ছেন মেয়েরা।

এদিকে, বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে রহিমার মামলার তথ্য দিয়েছেন প্রতিবেশীরা। এমনকি মরিয়মের মামলাবাজির হাত থেকে রেহাই না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তার স্বামী বেলাল হাওলাদারও।

গত ২৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার বাসার উঠানের নলকূপে পানি আনতে নিখোঁজ হন মরিয়ামের মা রহিমা বেগম।

ফরিদপুরের বোয়ালখালী থেকে উদ্ধার হওয়ার পর, আদালতের আদেশে আরেক মেয়ে আদুরীর হেফাজতে ছেড়ে দেয়া হয় রহিমা বেগমকে। তবে তিনি বনিকপাড়ায় ফিরে আসেননি।

এদিকে রহিমা বেগম ও তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান মামলাবাজ-এমন অভিযোগ করেছেন তাদের প্রতিবেশীরা। তাদের মামলায় ভোগান্তির শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন।

রহিমা বেগমের মামলার আরেক ভুক্তভোগী শরীফুলের বয়স যখন দশ বছর, তখন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেছিলেন রহিমা বেগম।

রহিমার নিখোঁজ মামলায় আটক পাঁচ জনের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে আত্মগোপন করেন রহিমা।

শুধু প্রতিবেশী নয়, রহিমা বেগমের বর্তমান স্বামী বেলাল হাওলাদারও রেহাই পাননি। তার দাবি, অপহরণ মামলায় কথা মতো সাক্ষ্য না দেয়ায় তাকেও ফাঁসিয়েছে রহিমার মেয়ে মরিয়ম।

রহিমার চতুর্থ স্বামী বেলাল। প্রথম স্বামী মারা যাবার পর আরও দুবার বিয়ে করেন রহিমা বেগম। তবে প্রথম স্বামীর ঘরেই তার ছয় সন্তান, অন্য স্বামীদের ঘরে তার কোনো সন্তান নেই।

এদিকে, রহিমা বেগম নিখোঁজ হওয়ার পর যে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছিলো সেগুলো আর রাখবেন না বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান।

আরও পড়ুন: অনশনের ঘোষণার এক ঘণ্টার মধ্যে কর্মসূচি বাতিল

উল্লেখ্য, খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার নিখোঁজ হওয়া রহিমা বেগম অক্ষত অবস্থায় শনিবার রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা থেকে উদ্ধার হন।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads
ছাদ খোলা অভিবাদন!

ছাদ খোলা অভিবাদন!

২ মাস ৯ দিন আগে