ঢাকা ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২০ মাঘ ১৪২৯

আঞ্চলিক শক্তি বাড়াতে এবার থাইল্যান্ডকে পাশে চায় চীন

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ নভেম্বর ২০২২ ১৮:৩২:৫৮ আপডেট: ১৯ নভেম্বর ২০২২ ১৮:৫৮:২০
আঞ্চলিক শক্তি বাড়াতে এবার থাইল্যান্ডকে পাশে চায় চীন

করোনা মহামারীর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই বিশ্ব অর্থনীতির ওপর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিশ্বজুড়ে দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক মন্দা। পাশপাশি আঞ্চলিক রাজনীতিতেও এসেছে নতুন সমীকরণ। এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শক্তি বাড়াতে থাইল্যান্ডে পাশে চায় চীন। অন্যদিকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারে চীনের সাথে একমত থাইল্যান্ডও।    

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিআরআই জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে ব্যাংককের প্রধানমন্ত্রী ভবনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচার মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৈঠকে এশিয়া-প্যাসিফিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) জোটের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করায় থাইল্যান্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি। 

এসময় তিনি বলেন,  চীন ও থাইল্যান্ডের মধ্যে বন্ধুত্ব হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে এবং দুই দেশের জনগণ একে অপরকে ভাই-বোন বিবেচনা করেন।

চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, চীন এবং থাইল্যান্ড একটি বহুমুখী কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত ১০ বছরে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব অব্যাহতভাবে বিকশিত হচ্ছে। সেসঙ্গে ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতা গভীরতর হচ্ছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের একটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, চীন-থাইল্যান্ড সম্পর্ক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বেইজিং। একটি নতুন ঐতিহাসিক যুগ-সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা থাইল্যান্ডের সঙ্গে মিলে ‘চীন ও থাইল্যান্ড একক পরিবার হিসেবে’ বিশেষ বন্ধুত্বকে এগিয়ে নিতে ইচ্ছুক। আরও স্থিতিশীল, আরও সমৃদ্ধ এবং আরও টেকসই চীন-থাইল্যান্ড অভিন্ন স্বার্থের কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই।

আরও পড়ুন: যে রিজার্ভ আছে, তা দিয়ে আরও পাঁচ মাস চলবে: প্রধানমন্ত্রী

এদিকে আঞ্চলিক শক্তি বাড়াতে শি এর সাথে একমত পোষণ করেছেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিংশতম জাতীয় কংগ্রেসের সফল আয়োজন এবং পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে প্রেসিডেন্ট শি পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রায়ুথ।

থাই প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন যে, প্রেসিডেন্ট শি’র নেতৃত্বে একটি সমাজতান্ত্রিক আধুনিক দেশ গড়ে তোলা, দ্বিতীয় শতবর্ষের লক্ষ্য অর্জন করা এবং চীনা জাতির মহান পুনরুত্থান প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ায় উজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হবে চীন।


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads