ঢাকা ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯

দোকান ও বাড়িতে আগুন, স্কুলছাত্রীর ফোনে রক্ষা পেল সরকারি অফিস

নিজস্ব প্রতিনিধি, শেরপুর
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১১:৩২:২৮
দোকান ও বাড়িতে আগুন, স্কুলছাত্রীর ফোনে রক্ষা পেল সরকারি অফিস

বগুড়ার শেরপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি বাড়ি ও দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মঙ্গলবার আনুমানিক রাত আটটার দিকে পৌর হাটখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পরে এ ঘটনায় জান্নাতুল ফেরদৌস নামে এক শিক্ষার্থী ফোন দিলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ঘটনাস্থলে এসে ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় আরও একটি দোকান ও উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস আগুনের সংস্পর্শে আসে। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত চলে আসায় ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় অফিসটি।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির নাম আব্দুল কুদ্দুস। তিনি তার বাড়ির পাশের দোকানে প্লাস্টিক তৈজসপত্রের ব্যবসা করেন। 

আব্দুল কুদ্দুস বলেন, তার ধারণা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। দোকানে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার রেকসিন, পলিথিন ও প্লাস্টিকের যাবতীয় আসবাবপত্রের মালামাল ছিল। আগুন নেভার আগেই এসব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।    

শেরপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জানায়, ৭টা ৫০ মিনিটে আমার বাড়ির পাশে একটি দোকানে আগুন লাগে। তখন সবাই নেভানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় ট্রিপল নাইনে অনেকবার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে শেরপুর থানায় খবর দেয়ার কিছুক্ষণ পর ফায়ার সার্ভিস আসে। 

শেরপুর ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যার হাউজ অফিসার নাদির হোসেন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট উপস্থিত হয়। তবে পলিথিন ও প্লাস্টিক থাকার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা সময় লাগে। পরে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। 

নাদির হোসেন আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে সট সার্কিট থেকে এই আগুনের সূত্রপাত। প্রাথমিক হিসাবে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ি ও দোকানসহ প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ফুটবল দর্শকদের প্রসংশা করলো ফিফা

শেরপুর সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখকের সভাপতি এস এম ফেরদৌস জানান, যখন সবাই  আগুন নেভাতে ব্যস্ত তখন ওই স্কুল ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস শেরপুর থানার মাধ্যমে ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন  নিয়ন্ত্রণে আনে।  

এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার খন্দকার আতাউর রহমান জানান, একটি মেয়ে আমাকে ফোন করেছিল তার কল পেয়ে পরে আমি ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। 


একাত্তর/আরবিএস  

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads