ঢাকা ২০ মার্চ ২০২৩, ৬ চৈত্র ১৪২৯

ফিলিপাইনের আরও চার ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পেলো যুক্তরাষ্ট্র

একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৭:৩৬:২০
ফিলিপাইনের আরও চার ঘাঁটিতে প্রবেশাধিকার পেলো যুক্তরাষ্ট্র

দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্প্রসারণের ফলে ফিলিপাইনের আরও চারটি সামরিক ঘাঁটিতে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তির মাধ্যমে, ওয়াশিংটন উত্তরে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান থেকে দক্ষিণে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করলো। 

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের ম্যানিলা সফরের সময় চুক্তিটি উন্মোচন করা হয়। সফরে তিনি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়রের সাথে আলোচনা করেন। 

এক যৌথ বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং ফিলিপাইনের জাতীয় প্রতিরক্ষা বিভাগ জানায়, 'কৌশলগত এলাকায় চারটি নতুন স্থান নির্ধারণের চুক্তির সাথে বর্ধিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি (ইডিসিএ) বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনা এবং বিদ্যমান পাঁচটি স্থানে প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য সমাপ্তি ঘোষণা করতে পেরে ফিলিপাইন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত'। 

ফিলিপাইন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্থানের প্রায় ৩০ বছর পর এই চুক্তি সই উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা।   

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রোগ্রামের পরিচালক গ্রেগরি বি পোলিং বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরে এমন কোনও আকস্মিক পরিস্থিতি নেই যার জন্য ফিলিপাইনে প্রবেশের প্রয়োজন নেই। যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী ঘাঁটি খুঁজছে না। এটি জায়গার সাথে সম্পর্কিত, ঘাঁটির সাথে নয়। 

ইডিসিএ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিলিপাইনের মধ্যে একটি দশক-দীর্ঘ নিরাপত্তা জোটের অংশ। এটি মার্কিন সৈন্যদের বিতর্কিত জলসীমার কাছাকাছি ফিলিপাইনের পাঁচটি ঘাঁটিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়। 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সম্প্রসারণ দুই দেশের জোটকে 'শক্তিশালী এবং আরও স্থিতিস্থাপক' করে তুলবে এবং 'সম্মিলিত সামরিক সক্ষমতার আধুনিকায়নকে ত্বরান্বিত করবে'। 

আরও পড়ুন: ওমান উপসাগরে ফরাসি বাহিনীর হাতে অস্ত্রের চালান আটক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন ঘাঁটি কোথায় তা জানায়নি। তবে তাদের মধ্যে তিনটি ফিলিপাইনের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি দ্বীপ লুজনে হতে পারে, যেটি চীন বাদে তাইওয়ানের নিকটবর্তী একমাত্র বড় ভূখণ্ড। 

তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত নাইন-ড্যাশ লাইনের অধীনে প্রায় পুরো জলপথের ওপর চীনের দাবি যখন আরও জোরালো হচ্ছে তখন যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা এলো। বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান এই রুটের ওপর ফিলিপাইন, অন্যান্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ এবং তাইওয়ানেরও দাবি রয়েছে। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads