ঢাকা ০৫ জুন ২০২৩, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০

মাল্টা ও খেজুরের সঙ্গে আনারসের দামও বাড়তি

সুশান্ত সিনহা, একাত্তর
প্রকাশ: ২৪ মার্চ ২০২৩ ১৯:৪৫:০৮ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৩ ২২:০০:২০
 মাল্টা ও খেজুরের সঙ্গে আনারসের দামও বাড়তি

রোজা ও ইফতারকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়, সেই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি বাজার মাছ-মাংস থেকে শুরু করে সবজি ও ভোগ্যপণ্য সব কিছুর দাম বেড়েছে। যথারীতি বাদ যায়নি ফলও। গত বছরের তুলনায় এবার দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশ। 

রমজান শুরু হতে না হতেই দাম বেড়েছে মাল্টা ও খেজুরের। রোজা উপলক্ষে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার দাম বেশি বলে জানাচ্ছে সদরঘাটের পাইকারি ফল বিক্রেতারা। বিদেশি ফলের দাম বাড়ার সাথে দাম বেড়েছে দেশি ফল আনারসের। তবে তুলনায় দাম কম তরমুজের।

বাজার ঘুরে দেখা গেলো, বছর ঘুরে রমজানের দিন-তারিখ বদল হয় কিন্তু দাম বাড়ার রেওয়াজের বদল হয় না। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও ইফতারিতে ফলে খেতে গুণতে হবে বেশ চড়া মূল্য। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে খেজুরের দাম। 

বস্তাখেজুর, আজুয়া, মরিয়ম, ম্যাডজল, নাম যাই হোক না কেন দাম বাড়ার দৌড়ে কেউ পিছিয়ে নেই। বর্তমানে বাজারে সাধারণ মানের প্রতি কেজি খেজুরের দাম ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, যা গত বছর সর্বোচ্চ বিক্রি হয়েছিলো ২০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

আর যে খেজুর গত বছর ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে সেই খেজুরের কেজি ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। দাম বেশি হওয়ায় খেজুর বিক্রিও অনেক কমে গেছে। আর কিছু কিছু ধরনের খেজুর বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার টাকারও বেশি কেজি দরে। 

স্বস্তি নেই রসালো ফল মাল্টা। ১৫ কেজি কার্টুনের দাম ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ টাকায়। পাইকারিতে এক কেজি মাল্টার দাম ১৮০ টাকা। আঙুর, আপেল, মালটা সব কিছুই দোকানে সুন্দর করে সাজানো রয়েছে। কিন্তু তার দাম ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

বড় সাইজ কমলা কার্টুন প্রতি পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে চার হাজার টাকায়। সেই হিসেবে কেজি প্রতি খরচ পড়ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। মাঝারি সাইজের কমলা বিক্রি হচ্ছে কার্টুন প্রতি তিন হাজার ৮০০ টাকা। তবে বেশ খানিকটা কমেছে সব ধরনের আপেলের দাম।

আরও পড়ুন: ব্রয়লার মুরগির দাম কিছু কমলেও গরু-খাসির দাম চড়া

ইফতারিতে আনারসের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়, তাই বেড়েছে দেশে উৎপাদিত এই ফলের দাম। আকার ভেদে একেকটি আনারস ৩০-৫০ টাকা। তবে, স্বস্তি আছে তরমুজের বাজারে। উৎপাদন ভাল হওয়ায় গত বছরের তুলনায় বেশ কম দামেই বিক্রি হচ্ছে তরমুজ।

সদরঘাট, ওয়াইজঘাট ও বাদামতলীর আড়তদারদের দাবি, আমদানীকারকদের ওপর নির্ভর করে ফলে দাম। পাইকারি আড়তে ফলের দাম বেশি হওয়ায় বাধ্য হয়ে খুচরা দোকানিকেও দাম বাড়াতে হচ্ছে। তবে ডলার সংকটের প্রভাব ফল আমদানিতে পড়ছে বলেও মনে করেন তারা। 


একাত্তর/এসজে

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads