ঢাকা ০৫ জুন ২০২৩, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০

ভোলায় নিষেধ সত্ত্বেও শাপলাপাতা মাছ শিকার

নিজস্ব প্রতিনিধি, ভোলা
প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৩ ১৬:১৪:১১
ভোলায় নিষেধ সত্ত্বেও শাপলাপাতা মাছ শিকার

বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে শাপলাপাতা মাছ ধরা, কেনা, বেচা নিষেধ থাকলেও ভোলার মেঘনা নদীতে প্রায় সাড়ে ছয় মণ ওজনের একটি মাছ ধরা হয়েছে। পরে বিক্রি করা হয়েছে ৫৫ হাজার টাকায়। অনেক জায়গায় এই মাছটি ‘হাউস মাছ’ বলেও পরিচিত।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিকেলে ভোলা সদরের ইলিশা ও রাজাপুরের মাঝামাঝি এলাকায় জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে ইলিশা মাছ ঘাটে মাছটি বিক্রির জন্য আনা হয়। 

স্থানীয়রা জানান, রাজাপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাইদুল মাঝির মাছ ধরা নৌকায় জেলেদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। এর ওজন ছয় মণ ২৩ কেজি।  

সাইদুল মাঝি জানান, বিকেলে জাল টানতে গিয়ে দেখি বিশাল আকৃতির হাউস মাছটি উঠে আসে। পরে অন্য জেলেদের সহযোগিতায় মাছটি নৌকায় তোলা। এরপর মাছটি বরিশাল মোকামে নিয়ে আট হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করা হয়। 

জেলেরা জানান, গভীর সাগরে এ মাঝ থাকে। ধারনা করা হচ্ছে, মাছটি দিক হারিয়ে মেঘনায় চলে এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এটি স্টিংরে প্রজাতির মাছ। এ প্রজাতির মাছ সমুদ্রের অগভীর তলদেশ ঘেঁষে বিচরণ করে। তবে বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে শাপলাপাতা মাছ ধরা ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। জেলেদের বিভিন্ন সভা-সেমিনারে এ মাছ না ধরার জন্য উৎসাহিত করা হয়। 

সমুদ্রের জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় শাপলা পাতা মাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশে এ মাছ ধরা এবং বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও কেউ তা মানছে না। প্রকাশ্যে বিক্রি করা হচ্ছে এই মাছ। এভাবে নিধন চলতে থাকলে এক সময় শাপলাপাতা মাছ বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


একাত্তর/এসি

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

Nagad Ads