রেমিট্যান্স পাঠানোয় শীর্ষে আমিরাত প্রবাসীরা

২০২২ সালে বহির্বিশ্বে বসবাস করা মোট ৮৬ জন বাংলাদেশি নানা ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৩৯ জন সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স পাঠানোর শীর্ষে রয়েছে দেশটি। গত বছর তিন হাজার ৬৭৫ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে আমিরাতের প্রবাসীরা। এর পেছনে কনসুলেটের রেমিট্যান্স এওয়ার্ড ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন প্রবাসীরা। 

দুবাই ও উত্তর আমিরাতে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি বাস করেন। দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার আমিরাতের বাণিজ্য নগরীতে গেলো বছর দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনসুলেট চালু করে রেমিট্যান্স এওয়ার্ড। এরপর থেকে বাড়তে থাকে আমিরাতের প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানো। এ জন্য কনসুলেটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রবাসীরা। 

আজমানের ব্যবসায়ী হুমায়ূন কবীর এ জন্য কনসাল জেনারেলের 'দুয়ারে কনসুলেট' উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো রেমিট্যান্স এওয়ার্ডের আয়োজন করছেন বলে একাত্তর টিভিকে জানিয়েছেন দুবাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন। চলমান অর্থবছরে এর ফলে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও মজবুত হবে বলে তিনি মনে করেন। 

তবে প্রবাসীদের মেধাবী সন্তানদের জন্য দেশে কর্মসংস্থানের উপযুক্ত পরিবেশ ও বিনিয়োগকারী প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সরকারের দৃষ্টি কামনা করেছেন দুবাই প্রবাসী সালেহ আহমদ সিআইপি। 

এছাড়াও বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধসহ দেশে বিনিয়োগ করতে সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা। এতে দেশের অর্থনীতির চাকা আরও দুর্বার হবে বলে মনে করেন আজমানের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সিআইপি।  

প্রবাসীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে এবং সাধারণ প্রবাসীদের মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করলে বাড়বে রেমিট্যান্স, এমন ধারণা সংশ্লিষ্টদের।