সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসন প্রত্যাশীরা দ্রুত বৈধতা পেতে পছন্দের গন্তব্য হিসেবে বেছে নিচ্ছেন ইউরোপের দেশ পর্তুগালকে।
নির্দিষ্ট একটি কাজের চুক্তির শর্ত পূরণ করে কয়েক মাসের মধ্যে নিয়মিত হওয়ার সুযোগ আছে দেশটিতে৷ ফলে অনিয়মিত অভিবাসীদের ভিড় বেড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের দেশটিতে৷
দেশটির ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, গত দুবছরে পর্তুগালে বৈধতা পেয়েছেন প্রায় ৩০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
অভিবাসীর সংখ্যা বাড়লেও আবাসন সংকট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় কম বেতন ও দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে বৈধতার অপেক্ষায় আছেন হাজারো অভিবাসী।
প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে লিসবন কর্তৃপক্ষ৷ সম্প্রতি তারা জানিয়েছে, গত চার বছরে বৈধ হতে যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের দীর্ঘজট নিরসনের করে প্রায় তিন লাখ অনথিভুক্ত অভিবাসন প্রত্যাশীকে বৈধতা দিয়েছে পর্তুগাল সরকার।
পর্তুগালে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকার নাগরিকদের মধ্যে বৈধতা প্রাপ্তির দিক থেকে শীর্ষে আছেন ভারতীয়রা।
তালিকার দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ নেপাল আর তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আটলান্টিকের তীরের দেশটিতে এক বছরে ১৭ হাজার ১৬৯ জন বাংলাদেশি বৈধ অভিবাসী হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৬৪ শতাংশ বেশি।
আর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পর্তুগিজ ভাষাভাষী অভিবাসীদের আরো দ্রুত ও সহজ উপায়ে রেসিডেন্স পারমিট দিতে পর্তুগাল একটি দ্রুত ও সহজ পদ্ধতি চালু করেছে সরকার। তবে দীর্ঘ জটিলতার কারণে এই খাতেও প্রচুর জট দেখা দিয়েছে।