করোনা মহামারীকালে বিশ্বজুড়েই ওষুধের চাহিদা বেড়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরাও।
ইপিবি'র তথ্য বলছে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাতে রপ্তানি ১০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই আয় গেলো বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ওষুধ শিল্পের সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে। করোনা মহামারির এই সময়ে অতি জরুরি এই পণ্যের রপ্তানি পালে হাওয়া লেগেছে আরো একবার। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও বেড়েছে ওষুধ রপ্তানি।
গেল ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ২২ দশমিক ২১ শতাংশ।
এছাড়া, আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ২ কোটি ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো বলছে, অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১০ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের ওষুধ রপ্তানি হয়েছে। যা গেল অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৮ কোটি ৬৩ লাখ ডলার।
এ সময় রপ্তানির ঝুড়িতে সবচেয়ে বেশি যোগ হয়েছে করোনা প্রতিরোধী ওষুধ। করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ রেমডেসিভির এবং ফ্যাভিপিরাভির চালান বেড়েছে বেশি।
বর্তমানে এসকেফে, বেক্সিমকো, ইনসেপ্টা, বিকন, স্কয়ার, পপুলার, অপসোনিন, এসিআই, রেনাটা এবং জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো প্রায় ২০টি কোম্পানি বিশ্বব্যাপী করোনার ওষুধ রপ্তানি করে।
শুধু তাই নয়, মান উন্নয়ন ও নীতি সহায়তার কারণে সব ধরনের ওষুধেরই রপ্তানি বাড়ছে। এর মধ্যে উচ্চমূল্যের ওষুধও রয়েছে।
আরও পড়ুন: টিকা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার পরিবহন শ্রমিকরা
ওষুধ শিল্প থেকে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ২০ শতাংশই অনকোলজি পণ্য। তবে অনেক কাঁচামাল ও মালবাহী পণ্যের বাড়তে থাকা খরচ বর্তমানে এ খাতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টরা।
একাত্তর/আরএ