আগে থেকেই বাজারে বেড়ে রয়েছে এলপি গ্যাসের দাম

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সিদ্ধান্তকে তোয়াক্কা না করে কোম্পানিগুলো তাদের ইচ্ছামতো দামেই এলপি গ্যাস বিক্রি করছে। 

বৃহস্পতিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) চলতি মাসের দাম নির্ধারণ করার আগে নিজেরাই দাম বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। তবে কমিশন বলছে, শিগগিরই পরিস্থিতির উন্নতি হবে। 

আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে নজরদারি বাড়িয়ে কোম্পানিগুলোকে কমিশন নির্ধারিত দাম মানতে বাধ্য করতে হবে। না হলে ক্রেতা সুফল পারে না। 

উচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে গেলো বছরের এপ্রিল থেকে এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। 

আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিমাসে দাম ঠিক হয়। জানুয়ারি মাসের তুলনায় ৬২ টাকা বাড়িয়ে চলতি মাসের এলপি গ্যাসের দাম ঠিক হয় গত বৃহস্পতিবার। 

ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতি সিলিন্ডারের দাম ৬২ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ চূড়া পার করেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ!

এই দর অনুযায়ী রিটেইলার পয়েন্ট থেকে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজির মূসকসহ মূল্য দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৪০ টাকা।

কিন্তু, রাজধানীর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে চারদিন আগে নিজেরাই এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো। 

শুধু তাই নয়, এক দামে সব কোম্পানির গ্যাস বিক্রির কথা থাকলেও একেক কোম্পানি একেক দামে বিক্রি করছে। এনিয়ে কোন ব্যাখ্যা দিচ্ছেন না ডিলাররা। 

এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সদস্য মকবুল-ই-ইলাহী চৌধুরী মনে করেন, কমিশনের বেঁধে দেয়া দাম কার্যকর করতে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।  

অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেছেন, কমিশনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বাজারে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নিতে হবে।


একাত্তর/এসজে