আগের দিনের চেয়ে আরো কিছুটা কমেছে করোনায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। শনাক্ত হয়েছেন ৯ হাজার মানুষ, মারা গেছে ৩০ জন।
সংক্রমণ কমতে থাকায় করোনার তৃতীয় ঢেউ সর্বোচ্চ চূড়া পেরিয়ে গেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে, উচ্চ সংক্রমণের এই সময়ে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ তাদের।
টানা ১২ দিন পর, গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনার দৈনিক শনাক্তের সংখ্যাটা দশ হাজারের নীচে নামলো।
এই সময় গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫২ জন। শনাক্তের হার আরও কমে ২৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় আগের দিনের মতেই ত্রিশের ঘরে।
ঢাকা বিভাগের চাইতে এখন শনাক্তের হার অন্যান্য বিভাগেই বেশি। শনাক্তের হার সর্বোচ্চ রংপুর বিভাগে ৩৮ শতাংশ। তবে রংপুর বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় কোন মৃত্যু নেই।
এরপর বরিশালে ৩৭ শতাংশ। রাজশাহী ময়মনসিংহ আর খুলনায় এই হার ২৫ শতাংশের ওপরে। ঢাকায় প্রতি একশ জনে ২০ জন আর চট্টগ্রামে ২২ জন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ের চূড়া পেরিয়ে কমতে শুরু করেছে শনাক্তের হার। আগামী সপ্তাহ দুয়েক এই ধারা বজায় থাকতে পারে।
তবে, এই সময় সরকারিভাবে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। তার মতে, পরীক্ষা বেশি হলে পরিস্থিতি আরো ভালো বোঝা যাবে।
গেলো জুলাই ও আগস্টে ডেল্টা সংক্রমণের সময় সরকারি পর্যায়ে বিনামূল্যে করোনার টেস্ট করা যেতো। পরে সরকারিভাবে পরীক্ষার জন্য আবারও একশ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়।
আরও পড়ুন: দৈনিক শনাক্ত নামলো ১০ হাজারের নিচে, মৃত্যু ৩০
