সারাদেশেই বাড়তি ২৪ পণ্যের দাম, সরিষা তেলে ঝাঁঝ বেশি

কমছে না পেঁয়াজ, চাল, ডাল, ময়দাসহ ২৪ ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। তার ওপর এবার সরিষার তেলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ৫০ টাকা। 

সেই সঙ্গে সয়াবিন তেলের দাম সামান্য কমলেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। যদিও ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডিলাররা তেল নিয়মিত সরবরাহ করছেন না বলেই দাম কমছে না। 

রংপুরে সরবরাহ বন্ধের অজুহাতে ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে বেশিরভাগ দোকানি। ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতি লিটার তেল ১৭০ টাকা বিক্রির কথা থাকলেও অতি মুনাফার আশায় বিক্রি বন্ধ রেখেছে তারা। তাদের আশঙ্কা রমজানের সময় তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে। 

এছাড়া এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ ও গরুর মাংস সহ সব সবজির। বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৬০ থেকে ১২০ টাকায়। এমন লাগামহীন দামে অসহায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। তারা জানেন, সামনের দিনগুলো কিভাবে চালাবেন। 

মানিকগঞ্জের পাইকারি ও খুচরা বাজারে পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এক লিটার সয়াবিন তেল ১৬৮ টাকায় কিনে সে দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে বলে, অনেক দোকানি তেলই রাখছেন না। তবে এই যুক্তি আমলে নিতে নারাজ সাধারণ ক্রেতারা।

এদিকে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০টাকা কোমলেও, চাল, ডাল, চিনিসহ সব ধরনের পণ্য গেলো সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। একই সাথে বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম।

কুমিল্লায় সয়াবিনের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে সরিষা তেলের দাম। গেল সপ্তাহের ২৪০ টাকার সরিষার তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ২৯০টাকায়। কেজিতেই বেড়েছে ৫০ টাকা। একইভাবে ৪০ টাকার রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০টাকায়।

আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করুন, না হয় ক্ষমতা ছাড়ুন

ক্রেতাদের অভিযোগ বাজার মনিটরিং না থাকায় ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছেন দোকানিরা। আর বিক্রেতারা বলছেন, ডিলারদের কারসাজির কারণে চাহিদার তুলনায় তেল মিলছে না। অন্যান্য পণ্যের দামও নাগালের বাইরে। 

মাদারীপুরে ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের দাম দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ বেড়েছে। যদিও জেলা প্রশাসক বলছেন, বেশি দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুন্সীগঞ্জেও নিত্যপণ্যের পাশাপাশি কেজিতে একশ’ টাকা গুণতে হচ্ছে বেশিরভাগ সবজি কেনায়।