একদিনের ব্যবধানে সারা দেশে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। কমেছে সাদা ডিমের দামও, বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা ডজন।
বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের সবচেয়ে বড় মোকাম সাভারে ডিম মজুদ রাখায় দাম বেড়েছে। কিন্তু বিদেশ থেকে ডিম আমদানির খবর, অভিযান আর বিক্রি কমে যাওয়ায় ডিমের দাম কমেছে।
শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে সাভারে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা। আগের দিন যার দাম ছিলো ১৪০ টাকা। আর সাদা ডিম ডজনে পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন, দাম কিছুটা কমে আসলেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। আর যে প্রচণ্ড গরম পড়ছে তাতে বেশি দিন ডিম মজুত করেও রাখা যাচ্ছে না।
পাইকারি, মোকাম ও খামারে ডিমের দাম কমায় মানিকগঞ্জের খুচরা বাজারে প্রতি হালি ডিমে দাম কমেছে ১০/১২ টাকা। প্রতি হালি সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা আর লাল ৪২ টাকা।
বিক্রেতারা বলছেন, ডিমের সবচেয়ে বড় মোকাম সাভারে ডিম মজুত রাখায় দাম বেড়েছে। কিন্তু ডিম আমদানির খবরে আর বিক্রি কমে যাওয়ায় সেগুলো ছেড়ে দিয়েছে।
মাত্র একদিনের ব্যবধানে ময়মনসিংহের বাজারে ডিমের দাম হালি-প্রতি কমেছে ছয় টাকা। এক দিন আগে খুচরা বাজারে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হয়েছে ৪৬ থেকে ৪৮ টাকায়, বিকেলে হয় ৪২ টাকা। শুক্রবার সকাল থেকে সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা হালি।
আরও পড়ুন: ডিমের দাম বাড়ার পেছনে সংঘবদ্ধ কয়েক ব্যবসায়ীর কারসাজি
খুচরা ব্যবসায়ী বলছেন, বড় খামারিরা সিন্ডিকেট করে ডিমের দাম বাড়িয়ে ছিলো। আর ভোক্তা বলছেন, বাজারে অভিযানের কারণেই কমেছে ডিমের দাম।
গাজীপুরে প্রতি হালি ডিমের দাম এক দিন আগেও ছিলো ৫৫ টাকা। এখন সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়েও খুচরা বাজারে ডিমের দাম হালিতে কমেছে ১০ টাকা।
একাত্তর/এসজে