দুর্নীতির হার কমাতে বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
দুর্নীতির হার কমলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে বলে মনে করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
তিনি বলেন, বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশ যদি প্রমাণ করতে পারে যে, এখানে দুর্নীতির হার কম, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।
মঙ্গলবার, রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে দুর্নীতিবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) এক গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বেসরকারি খাতে ব্যবসা করতে কি ধরনের দুর্নীতির সম্মুখীন হয় তা নিয়ে ২০২২ এর জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৮০০ জনের মধ্যে জরিপ করে সিজিএস।
এই জরিপে সরকারি সেবা সহায়তা বঞ্চিত হওয়াসহ উঠে আসে দুর্নীতির নানা চিত্র। বাংলাদেশে এখনো দুর্নীতি বড় সমস্যা উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সহযোগিতা করতে চায় তার দেশ। ইতিমধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থন করে না: প্রধানমন্ত্রী
দুর্নীতি চিহ্নিত করে দমন করার মাধ্যমেই অর্থনীতির অগ্রগতি হয় বলে মনে করেন পিটার হাস। তিনি বলেন, আমার দেশ যুক্তরাষ্ট্রে দুর্নীতির বড় বড় কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে এসেছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্রে দুর্নীতি চিহ্নিত করার পাশাপাশি এর চরিত্র বোঝার চেষ্টা করি।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় নয় বরং কিভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা যায় তা নিয়ে নীতি নির্ধারকদের কাজ করা দরকার। প্রয়োজনে দেশের গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরও সহযোগিতা নেয়ার পরামর্শ দেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
একাত্তর/আরবিএস