চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম আবারো কেজিতে পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে আমদানি করা হবে, এমন খবরে মোকাম থেকে বড় ব্যবসায়ীরা বেশি দামে পেঁয়াজ কিনছেন। আর এর প্রভাব পড়ছে পাইকারি বাজারে।
সোমবার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে কুষ্টিয়া, পাবনা ও ফরিদপুর থেকে প্রায় ১৫০ টন পেঁয়াজ এসেছে। তারপরও মোকামগুলোতে এর কোন প্রভাব নেই। উল্টো একদিনের ব্যবধানে পাইকারিতে ৫-৬ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যাপারীরা জানান, ফরিদপুর-পাবনার আড়ত থেকে আমদানির সাথে যুক্ত বড় ব্যবসায়ীরা বেশি দামে পেঁয়াজ কিনছেন। আর এতেই আবারো পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। পেঁয়াজ আমদানি হলে বাজারে দাম কমে যাবে, এই আশংকা বেশি দামে পেঁয়াজ কিনছে ব্যবসায়ীরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার ৩৪ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। তবে এ তথ্যের সাথে একতম নন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, সরকারের হিসাবের সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল তারা খুঁজে পান না।
প্রসঙ্গত, ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের হঠাৎ বাড়তি দর ঈদ শেষ হতেই ছুটতে শুরু করে রকেট গতিতে। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দর ৩০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কৃষিমন্ত্রী বলছেন, ৮০ টাকা কেজি পেঁয়াজ কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এমন পরিস্থিতিতে, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি সম্প্রতি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চিঠি লিখেছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ও এক সপ্তাহ আগে জানায়, দাম কমাতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হতে পারে।