রাজস্ব আহরণ সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই

২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেটে সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা থাকলেও রাজস্ব আহরনকে সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

আর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) বলছে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানো গেলে রাজস্ব আহরণ এবং বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব। 

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের বাজেট প্রস্তাবনা পেশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ব্যবসায়ী এই দুই সংগঠনের নেতারা। 

এদিন বিকেলেই জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল। 'দেড় দশকের উন্নয়নের পর স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রগতি' শিরোনামের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি ছয় শতাংশে আটকে রেখে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশ। 

ব্যয়ের জোগান মেটাতে রাজস্ব খাত থেকে ৫ লাখ ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পর ঘাটতি থাকবে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। ঘাটতির জোগান দেশ-বিদেশ থেকে ঋণ করে মেটানো হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে বিদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯০ এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে। 

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, বাজেটে কর হার কি হলো সেই বিষয়ে পরিস্কার ধারণা না পেলেও তিনি বলেন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বমন্দার মাঝেও নির্বাচন এবং আগামীর উন্নয়ন পরিকল্পনা মাথায় রেখেই বাজেট দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। 

তিনি আরও বলেন, সামাজিক সুরক্ষা খাতে ভুর্তুকি বাড়ানোয় দরিদ্র জনগণ উপকৃত হবে। একই সাথে ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা করাকে ইতিবাচক বলেও জানান তিনি। 

অন্যদিকে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সমীর সাত্তার বলেন কিছু ক্ষেত্রে বাজেটকে সাধুবাদ জানানোর যায়না, বরং এটি হয়েছে হাইব্রিড। তবে রাজস্ব আহরণসহ বাজেট বাস্তবায়নে জনগণকে সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়লেও পরিকল্পনা ও লক্ষ্যের অভাব

অন্যদিকে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) বলছে, দাতা সংস্থা আইএমএফ’র সুপারিশেই বাজেট প্রণয়ন এবং এর সূচকগুলোর সাথে বাস্তবের মিল নেই। 


একাত্তর/জো