বাজেটের প্রভাব পড়েনি নিত্যপণ্যের বাজারে

প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরপরই এবার বাড়েনি কোনো নিত্যপণ্যের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, যেসব পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবনা থাকে না, বাজেটের কথা বলে সেসব পণ্যেরও দাম বাড়িয়ে দেন উৎপাদকেরা। 

তবে, বাজেটে যাই থাকুক, সাধারণ মানুষের চাওয়া, আয়ের মোটা অংশই যেন আর ব্যয় করতে না হয় অন্নসংস্থানে। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবে বিপুল সংখ্যক পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ক বসানোর ফলে সেসবের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

বাজেট প্রস্তাবের পর প্রতিবারই বেড়ে যায় পণ্যের দাম। অতীতে দেখা গেছে, যেসব পণ্যের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব দেয়া হয়, সুযোগ বুঝে সে পণ্যগুলোরও দাম বাড়িয়ে দেন উৎপাদক থেকে শুরু করে বিক্রেতারা। 

তবে এবার বাজেট প্রস্তাবের পরপরই বাড়েনি কোনো পণ্যের দাম। যদিও সব পণ্যের দাম তো আগে থেকেই বাড়তি, বলছেন ক্রেতারা।

ক্রেতারা বলছেন, এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম তাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। নতুন করে আরও কোনো পণ্যের দাম বাড়লে খাদ্যতালিকা থেকে সেটি বাদ দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না তাদের। 

আরও পড়ুন: আইএমএফের পরামর্শে বাজেট করিনি: অর্থমন্ত্রী

অর্থবছরের শেষ দিকে এসে বাজেট শব্দটি বেশি শুনতে হয় যেসব মানুষের, তাদের সিংহভাগ খোঁজও রাখতে চাননা কী হলো তাতে। তাদের চাওয়া একটাই, নিয়ন্ত্রণে আসুক দ্রব্যমূল্য।

টিসিবির তথ্য অবশ্য বলছে, গেল এক সপ্তাহে কমে গেছে ছয়টি পণ্যের দাম। এসময়ে দাম বেড়েছে শুধু আদা-রসুনের। 


একাত্তর/এসজে