প্রথম দিনেই বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতির হিড়িক পড়ে গেছে। এক দিনেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে দুই লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির। আর এর প্রভাবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের বিভিন্ন বাজারে হু হু করে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দামের ঝাঁজ।
ভরা মৌসুমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গত মার্চে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর রোজার মাস থেকে দাম চড়তে শুরু করে পেঁয়াজের। সর্বশেষ খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা উঠে যাওয়ার পর রোববার আমদানিতে সায় দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়।
এর একদিনের মধ্যে সোমবার ২১১টি পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি বা আইপি আবেদন অনুমোদন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এই অনুমোদনের আওতায় পেঁয়াজ আসবে দুই লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
একদিনে এত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিতেই আড়ত ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ বিক্রির হিড়িক পড়েছে। এর ফলে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম কমতে শুরু করেছে নিত্য প্রয়োজনীয় এই পণ্যটির। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, একদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
দেশে পেঁয়াজের অন্যতম প্রধান আড়ত রাজধানীর শ্যামবাজারে সোমবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৫ থেকে ৫০ টাকা দরে। একদিন আগেও এখানে দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি।
দেশের আরেক প্রধান বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা মজুদ করা পেঁয়াজ তড়িঘড়ি করে বাজারে ছেড়ে দেয়া শুরু করেছেন। এর প্রভাবে এক দিনের ব্যবধানেই খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ২৫ টাকার মতো।
আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন একটা চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
আমদানি করা পেঁয়াজ ঢুকে পড়লে দাম আরও কমে যাবে- এই ভয়ে যশোরের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে গেছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানেই সেখানকার বাজারগুলোতে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ১৫ থেকে ২০ টাকার মতো।
শুধু আড়ত ও পাইকারি বাজারেই না, দেশের বিভিন্ন জেলার মোকামেও মহাজনরা পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে শুরু করেছেন। প্রতি মণে দাম ২০০ থেকে ৫০০ পাকা পর্যন্ত কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
একাত্তর/আরবি