তৈরি পোশাক শিল্প-কারখানার মালিকদের চাপের মুখে সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা থাকছে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা। মালিকরা বলছেন, রপ্তানি ধরে রাখার জন্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশেষ ব্যবস্থায় পোশাক কারখানা খোলা রাখা হবে।
অন্যদিকে লকডাউন নিয়ে সরকার গঠিত পরামর্শক কমিটি বলছে, গার্মেন্টস মালিকদের আবদার রাখতে গিয়ে প্রতিবারই অকার্যকর হয়ে পড়ছে লকডাউন, ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষ।
দেশে করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যুহার প্রতিদিনই বাড়ছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হচ্ছে। যদিও সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে গেছে গণপরিবহন ও দোকানপাট।
অথচ বরাবরের মতো, রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে এবং শ্রমিকের বেতন বোনাস পরিশোধ করা যাবে না- এসব কারণ দেখিয়ে এবারও লকডাউনের সময়ও কারখানা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পোশাক কারখানার মালিকরা।
এরিমধ্যে কারখানা মালিকদের দাবি মেনে, স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পালনের শর্তে গার্মেন্টস খোলা রাখার সম্মতি দিয়েছে সরকার। গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল মালিকদের সংগঠনগুলো বলছে জীবন ও জীবিকার কথা বিবেচনায় কারখানা খোলা রাখতেই হবে।
সেই সঙ্গে রপ্তানি খাতের সাথে জড়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমদানি এবং রপ্তানির পণ্য পরিবহনের যানবাহন চলাচল ও কাস্টমসসহ বিভিন্ন বন্দরকে লকডাউনের আওতামুক্ত রেখেছে সরকার।
কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সরকারের জাতীয় পরামর্শক কমিটির সদস্য ডা. ইকবাল আর্সলান মনে করেন, পোশাক মালিকদের দাবি মানতে গিয়ে প্রতিবারই লকডাউন অকার্যকর হচ্ছে। তাঁর পরামর্শ লকডাউন সফল করতে সরকারের ঘোষণাগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতেই হবে।
একাত্তর/আরএইচ