ধারের উৎস সীমিত হওয়ায় খরচ মেটাতে টাকা ছাপিয়ে অর্থের চাহিদা মেটাচ্ছে সরকার। তাই রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেয়া সরকারের ঋণ নেয়া।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আয়ের তোয়াক্কা না করে বিদেশী ঋণসহ সব ধরনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়ছে সরকার। তবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলছেন, খরচের চিন্তায় উন্নয়ন থামিয়ে রাখা যাবে না।
জাতীয় নির্বাচন এগিয়ে আসছে, এমন সময়ে চলতি অর্থ বছরে সরকারের আয়-ব্যয়ের ফর্দটাও বেড়েছে। তাই বেড়েছে অর্থের চাহিদা।
তবে সরকারী কোষাগারে অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা কমে আসা, বিদেশী ঋণের সুদ পরিশোধসহ নানা কারণে কিছুটা টাকার সংকটে আছে সরকার।
আগে সরকারের ঋণের বড় অংশের যোগান আসতো সঞ্চয়পত্র আর বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে। তবে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট আর সঞ্চয়পত্রে চড়া সুদের কারণে সেসব খাতে না গিয়ে গেল অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের ঋণ নিয়েছে সরকার। চলতি অর্থবছরেও টাকা ছাপিয়ে আবারো ঋণ দেয়া শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
যদিও টাকা ছাপিয়ে ঋণের এ যোগানে খুব সমস্যা দেখছেন না পরিকল্পনামন্ত্রী । তার মতে, উন্নয়নের খোরাক মেটাতেই এই পন্থা।
তিনি বলছেন, এ অর্থ কোন খাতে ব্যবহার হচ্ছে সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে বরং নজরদারি প্রয়োজন আছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এমন ভাবলেই বিশ্লেষকরা মনে করেন , উন্নয়ন বা অনুন্নয় প্রকল্প বাস্তবায়নে টাকা ছাপিয়ে ঋণের যোগান উসকে দিতে পারে মুল্যস্ফিতি আর এতে মুদ্রাবাজারও ভারসাম্যহীন হওয়ার শংকা আছে।
একাত্তর/এআর