পাকা রসিদ লাগবে ডাব ব্যবসায়ীদের, দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা

ডেঙ্গু রোগের মধ্যে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ডাবের দাম নিয়ে ব্যাপক কারসাজির অভিযোগের মধ্যে এবার এই পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার ডাব ব্যবসায়ীদের ডেকে তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে, মঙ্গলবার থেকেই ডাব ব্যবসায়ীদের অবশ্যই পাকা রসিদ সংগ্রহে রাখতে হবে। তা না হলে অভিযানের ধরলে জরিমানাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সম্প্রতি ডাবের দাম নিয়ে চলছে তুঘলকি কাণ্ড। কৃষকের বাগান থেকে প্রতিটি ডাব ৪০ থেকে ৫০ টাকায় কিনে ঢাকায় এনে বিক্রি করা হচ্ছে পাঁচ ছয় গুণ দাম বাড়িয়ে। অর্থাৎ ভোক্তাদের প্রতিটি দাম কিনতে হচ্ছে সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা দামে।

শুধু পরিবহণ খরচ ছাড়া ডাব উৎপাদনে তেমন কোনো খরচ লাগে না। তারপরও পণ্যটির দাম গত কয়েকমাসে বেড়েছে কয়েকগুণ।

আর এই পরিস্থিতির মধ্যে ডাবের খুচরা, আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের ডেকে সোমবার বৈঠক করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের কর্মকর্তারা। কিন্তু এই বৈঠকেও পারস্পরিক দোষারোপ ছাড়া ফলপ্রদ তেমন কিছুই হয়নি।

পাইকারি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ডেঙ্গুর সুযোগ নিয়ে খুচরা ডাবের ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত লাভ করছে। আর খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ডাবের দাম বাড়াচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বৈঠকে উঠে আসে, ডাবের ব্যবসার সাথে জড়িতদের অধিকাংশেরই নেই কোনো ট্রেড লাইসেন্স কিংবা পাকা রসিদ।

ফলে পারস্পরিক অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে পারেননি ভোক্তার কর্মকর্তারা। তাই মঙ্গলবার থেকে ডাব ব্যবসায়ীদের অবশ্যই পাকা রসিদ সংগ্রহের কথা বলে দেয়া হয়।