ফার্নিচার রপ্তানি বাড়াতে প্রয়োজন কাঁচামালে শুল্ক মুক্ত সুবিধা

ফার্নিচার রপ্তানি বাড়াতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক মুক্ত সুবিধা চাইলেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে এ খাতের কর্মসংস্থান ও রপ্তানি দুটোই দ্বিগুণ করা সম্ভব। 

অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলছেন, ফার্নিচার রপ্তানি বাড়াতে সরকার সব রকম সহযোগিতা দিতে প্রস্তত। তবে এজন্য পণ্যের মান বৃদ্ধিতেও মনোযোগ দিতে হবে। 

গেলো ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ফার্নিচার রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় ১১ কোটি ডলার। টাকার অংকে যা ১০০০ কোটির মতো। যদিও বিশ্বে এর বাজার ৭০০ কোটি ডলারের। আর দেশের বাজার ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কভেনশন সেন্টারে ১৮ তম ফার্নিচার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলেন সম্ভাবনা প্রচুর তবে এটি কাজে লাগাতে প্রয়োজন সরকারের সহযোগিতা।

এফবিসিসিআই সভাপতি  মাহাবুবুল আলম বললেন, রপ্তানিমুখী ফার্নিচার কারখানার  কাঁচামাল শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা গেলে এ খাত উৎপাদন ও রপ্তানী অনেক বাড়বে আর কর্মসংস্থান এবং বৈদেশিক মুদ্রার আয়ও বাড়বে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বানিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই খাতের টেকসই উন্নয়নে বিদেশী ও দেশী ক্রেতাদের রুচি ও ক্রয় ক্ষমতা বিবেচনা করে পণ্য তৈরি করতে হবে।

এবারের মেলায় ১৮৫ স্টলের মাধ্যমে দেশের ৩০ প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।