ছুটির আমেজে ব্যাংক খোলা, গ্রাহকও কম

একেবারে ছুটির আমেজ নিয়ে ছুটির দিন শুক্রবারও খোলা ছিলো দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক-শাখাগুলো। ব্যাংকাররা জানালেন, নিবার্চনকেন্দ্রিক লেনদেনের সুবিধার্থে খোলা রাখা হয়েছে ব্যাংক। তবে এর বাইরে সীমিত পরিসরে নগদ জমা, টাকা উত্তোলন, চেক ভাঙানোর মতো সেবা দেয়ার প্রস্তুতি থাকলেও সাড়া মিলেছে কম। এমন অবস্থা, শনিবারও থাকবে বলেও ধারণা তাদের। 

সব কিছু ঠিক থাকলে, রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ সংসদ নিবার্চন। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত সব প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নিবার্চনকে ঘিরে অর্থ লেনদেনে যেন ভোগান্তিতে পড়তে না হয় সেজন্য এরই মধ্যে শুক্র ও শনি দুই সাপ্তাহিক বন্ধের দিন দেশের ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ছিলো বাংলাদেশ ব্যাংকের। 

শুক্রবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি ব্যাংকের শাখা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রাহক উপস্থিতি একেবারে ছিলো না। নিয়ম মেনে যেসব কর্মকর্তা এসেছেন তারাও ছিলেন সাপ্তাহিক ছুটির আমেজে। তবে, গ্রাহককে সেবা দেয়ার প্রস্তুতি ছিলো ব্যাংকারদের। 

ছবি: একাত্তর টেলিভিশন।

এদিন বেসরকারি ব্যাংকের শাখা পর্যায়ে ছিলো একই চিত্র। তবে নিবার্চনী প্রচারণার ব্যয় মেটাতে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে টাকা উত্তোলন করতে দেখা গেছে কোন কোনো গ্রাহককে। ব্যাংকাররা বলছেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত জনবল দিয়ে শনিবারও এমন লেনদেন সেবা দেয়ার নির্দেশনা আছে। 

বিভাগ, জেলা, উপজেলা পর্যায়ে এই দুই দিন স্বাভাবিক নিয়ম চলবে ব্যাংক লেনদেন। তবে ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তা বা নির্বাচনী দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাদের উল্লিখিত ব্যাংকিং কাজে নিয়োজিত থাকছেন না। 

সাত জানুয়ারি সকাল আটটায় থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। তার আগের ৪৮ ঘণ্টা হিসাবে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। এখন আর ভোট চেয়ে মাইকিংও করা যাবে না। ইতিমধ্যেই ভোটের দিন উপলক্ষে ওইদিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।