সরবরাহ সংকটের অজুহাতে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

সরবরাহ সংকটের অজুহাতে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর বাজারে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে আলুর দাম। গেলো সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজির আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজিতে। 

এদিকে কিছুদিন সহনীয় পর্যায়ে থাকার পর আবার বেড়েছে ডিমের দাম। খুচরায় এখন প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা দরে। সেই সাথে দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগিরও।

রাজধানীর সবজির বাজারেও অস্বস্তি দীর্ঘদিনের। যদিও এখন শীতকাল, চলছে সবজির ভরা মৌসুম। তারপরও বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম ৮০ টাকার ওপরে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। শীতকালীন বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৯০-১১০ টাকা কেজিতে, দেশি শিম ৬০-১০০ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায়।

অন্যদিকে চট্টগ্রামের পেঁয়াজের পাইকারি বাজার আজও বাড়তি ছিলো। একই অবস্থা কুমিল্লার বাজারেও। বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম ও গরুর মাংস। সবরকম মাছের দাম বেড়েছে নেত্রকোনার হাওর এলাকায়। 

দেশি পেঁয়াজের ভরা মৌসুমেও গত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮-১০ টাকা। দাম বেড়েছে শীতকালীন সবজির। সেইসাথে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম, মাছ ও মুরগী।

কুমিল্লার বাজারেও বেড়েছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। ৯০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। বৈরী আবহাওয়ার অজুহাতে দাম বেড়েছে সব ধরনের সবজির। বেঁধে দেয়া দামে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে না। ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে ।

এছাড়া নেত্রকোণায় সপ্তাহের চেয়ে ৫০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে পাঙ্গাশ। বাড়তি অন্যান্য মাছের দামও।