এবার কোরবানি ঈদের আগে পাইকারি বাজারে দাম কমেছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার। পাইকাররা জানিয়েছেন, গেল ১৫ দিনে পেঁয়াজ, রসুনের দাম কেজিতে দুই থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
আর আদার দাম কমেছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন তারা।
পেঁয়াজ রসুন এবং আদার জন্য দেশের বড় পাইকারি বাজার শ্যামবাজার। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থেকে এবং আমদানিকারকদের থেকে পেঁয়াজ, রসুন এবং আদার চালান জড়ো হয় সেখানে।
আগামী সপ্তাহেই কোরবানির ঈদ। তাই এখন বাজার জমজমাট থাকার কথা। কিন্তু পাইকাররা বলছে পেঁয়াজ, রসুন এবং আদার সরবরাহ ভালো কিন্তু লক-ডাউনের প্রভাবে ক্রেতা একেবারেই কম তাই বিক্রিও কম।
পাইকাররা বলছেন ক্রেতা না থাকায় অনেক আড়তের পণ্য পচে নষ্ট হয়েছে, এমন অবস্থায় দেশী আদা ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।
বার্মিজ আদা ছিলো ৭০ টাকা কেজি এখন ৬২। দেশি রসুন দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৪০ কি ৪৫ টাকা এখন কেজি ৩৮ টাকা।
শ্যামবাজার বনিক সমিতি বলছে করোনার প্রভাবে তাদের বিক্রি কমেছে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। তারা আরও জানান, গেলো দেড় বছরের থেমে থেমে আড়ত বন্ধ থাকায় লোকসানে নিঃস্ব হয়েছেন অনেক পাইকার।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ‘ফুসফুস’ সিআরবি চত্বর বাঁচাতে প্রতিবাদ
তবে পাইকাররা বলছেন পণ্যবাহী গাড়ি লক-ডাউন মুক্ত থাকায় পেঁয়াজ, রসুন এবং আদার সরবরাহে কোন সমস্যা হয়নি।
একাত্তর/আরএ