একদিন আগেই এসেছে রমজানে নিত্যপণ্য চাল-চিনি-তেল আর খেজুরে করছাড়ের ঘোষণা, কিন্তু রোজার এক মাস আগে এ সিদ্ধান্ত কতটা কাজে আসবে, এ নিয়ে সন্দেহে মুদি বিক্রেতারা। আর, ক্রেতারা জানান দাম যদি কমে তাহলেই তারা বুঝবেন সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে বাজারে।
এদিকে আজও এক ধাপ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।
শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ব্যবসায়ীরা জানালেন, শুল্ক ছাড়ের পর নতুন করে পণ্য আমদানি করতে আরও প্রায় মাস দুয়েক লেগে যাবে। রমজানের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানি ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। ফলে শুল্ক ছাড়ের তেমন প্রভাব পড়বে না বাজারে। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত আরও আগেই নেয়া উচিত ছিলো বলে উল্লেখ করে তারা শুল্ক ছাড়ে আমদানিকৃত পণ্য বাজারে যাতে যথাযথভাবে বন্টিত হয়, সে বিষয়ে সরকারি তদারকি নিশ্চিতের দাবি জানান।
এভাবেই সরকারি সিদ্ধান্তে সংশয় জ্ঞাপন করেন দোকানদাররা। তারা আরও জানান নতুন দামে যারা আমদানি করবেন তাদের পণ্য আসতে আসতেই শেষ হয়ে যাবে রমজান মাস। তাই প্রশ্ন উঠেছে তাহলে দাম কমবে কবে?
এদিকে ক্রেতাদের মতে দাম নাগালে রাখাটাই বড় বিষয়।
দাম ও শুল্কছাড় নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ক্রেতারা জানালেন, বাজারে সবকিছুর দামই একটু বেশি বেশি। আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
এদিকে, গত দুদিনে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি-প্রতি ২০ টাকা। এখন ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে, যা ছিল ১০০ টাকা। আর গত এক সপ্তাহে বেড়েছে ৪০ টাকা। তার আগের সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৮০ টাকার মধ্যে।
তবে আলু-আদাসহ কমেছে সবজির দাম। বিক্রেতারা জানালেন, শীতকালে সবজির উৎপাদন ভালো থাকায় সবজির দাম কমেছে। আগের চেয়ে অনেক কম দামে ক্রেতাদের সবজি সরবরাহ করছেন তারা।
মাছের বাজারে দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। কিন্তু ক্রেতারা বলছেন উল্টো কথা।
বিক্রেতারা জানালেন, কাঁচামাল তাই দৈনিকই বাজারে উঠানামা থাকছেই। সরবরাহ ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাধারণত মাছের দাম ওঠানামা করছে।
তবে মুরগিসহ মাংসের বাজার দর আগের মতোই।