দুর্বল ব্যাংকের সঙ্গে সবল ব্যাংক একীভূত হলে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। বলেছেন, একীভূত হলে অর্থনীতির জন্যও এটি ভালো হবে।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ব্যাংক মালিক সংগঠনের নেতারা। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নজরুল ইসলাম মজুমদার।
তিনি বলেন, ব্যাংক একীভূত করা নিয়ে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ ছিলো। গভর্নর আমাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। এতে ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে উদ্বেগ কেটে গেছে।
দেশের ৯০ শতাংশ ব্যাংক ভাল আছে বলে দাবি করেন নজরুল। বলেন, অর্থনীতির স্বার্থে ১০ শতাংশ ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, একীভূতকরণ নতুন বিষয় নয়, উন্নত বিশ্বে এ ব্যবস্থা চালু আছে। বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ করছে।
তিনি বলেন, এটি কারও উপর চাপিয়ে দেয়া হবে না। কেউ চাইলে পছন্দের ব্যাংকে একীভূত হতে পারবে।
ব্যাংক গুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমানোসহ সুশাসন নিশ্চিতে ১১টি কর্ম পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, তাদেরকে প্রয়োজনীয় সূচকে দ্রুত সংশোধনের লক্ষ্য দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হলে তাদের মার্জার বা অ্যাকুইজিশনের উদ্যোগ নেয়া হবে।
সরকার দেশের ৬১ টি ব্যাংকের মধ্যে যেগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়েছে সেগুলোকে অপেক্ষাকৃত সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে।ব্যাংকিং খাত সংস্কারের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।