তীব্র গরমে ডাবের বাজারে অরাজকতা

ডাবের দাম বাড়াতে খুচরা ব্যবসায়ীদের অজুহাতের শেষ নেই। ডেঙ্গুর মৌসুম ও রমজান মাসের পর এবার তীব্র গরমের সুযোগে ডাবের বাজারে শুরু হয়েছে অরাজকতা। পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি করা হচ্ছে প্রতিটি ডাব।

কারওয়ান বাজারের আড়তে ছোট একটা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। কিন্তু এর কয়েক হাত দূরেই খুচরা বাজারে সেই ডাবের দাম ১০০ টাকা হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে ৬০ টাকার ডাব হয়ে যাচ্ছে ১২০ টাকা।

রাজধানীর অন্যান্য বাজারে ও ভ্যানের খুচরা দোকানে দামের এই ব্যবধান আরো বেশি।

কারওয়ান বাজার ডাবের আড়ত বা পাইকার বাজারের খুব কাছাকাছি হওয়ার পরও খুচরাতে অধিকাংশ ডাবের দাম চাওয়া হচ্ছে ১০০ টাকারও বেশি।  

বড় আকারের ডাব বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২শ টাকায়, আর ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাঝারি আকারের ডাব। ছোট আকারের ডাব বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

ঢাকার অন্য বাজারগুলোতেও ডাবের দামের চিত্র প্রায় একইরকম। সেখানেও দাম হাঁকা হচ্ছে ইচ্ছেমতো।

ক্রেতাদের অভিযোগ, কোনো কারণ ছাড়াই পণ্যের দাম বৃদ্ধি এটাই প্রথম নয়। তাই সরকারের নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ তাদের।

দেশে ডাবের চাহিদা থাকলেও আমদানি হয় না। কৃষি পণ্যটি উৎপাদনেও খরচ কম। তবে যে হারে ডাবের চাহিদা বাড়ছে, সেই তুলনায় উৎপাদন বাড়েনি বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

২০২১-২২ অর্থবছরে নারিকেল উৎপাদন হয় ৩৮ কোটি ২৭ লাখের মতো, মাথাপিছু প্রায় দুইটি করে।

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ এই ফলের চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় মাত্রাতিরিক্ত দাম বাড়িয়ে ব্যবসায়ীরা ফায়দা লুটছেন বলে ভোক্তাদের দাবি।