মসুর ডাল ও সার কেনার মাধ্যমে কেনাকাটা শুরু করেছে অন্তবর্তী সরকার। বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে সার কেনা সংক্রান্ত তিনটি প্রস্তাব এবং মসুর ডাল কেনা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
সার কেনা সংক্রান্ত প্রস্তাব তিনটি শিল্প মন্ত্রণালয় এবং মসুর ডাল কেনা সংক্রান্ত প্রস্তাবটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ে আসা হয়।
বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন। অন্তত আট জন উপদেষ্টা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় কাতার থেকে ১১তম লটে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রতি টন ৩৪৪ দশমিক ৫০ ডলার হিসেবে ওই সার কিনতে মোট ১২১ কোটি ৯৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয় হবে।
আরেক প্রস্তাবে বাংলাদেশের বহুজাতিক সার কারখানা কাফকো থেকে কেনা হচ্ছে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার। প্রতি টন ৩৩২.৭৫ ডলার দরে মোট খরচ হবে ১১৭ কোটি ৭৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
আরেক প্রস্তাবে কাতারের মুনতাজাত থেকে কেনা হচ্ছে ৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার। প্রতি টন ৩৩৯.১৭ ডলার হিসেবে এতে মোট খরচ হচ্ছে ১২০ কোটি ছয় লাখ ৬১ হাজার ৮০০ টাকা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে ৫০ কেজির বস্তার ২০ হাজার টন মসুর ডাল কেনা হচ্ছে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে। এতে খরচ হবে ২০৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা।
বৈঠক শেষে অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সারের সরবরাহ আমরা কোনভাবেই কমতে দেব না। আর অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মধ্যে মসুর ডাল গুরুত্বপূর্ণ, সেটা আমরা কিনবো।
তিনি বলেন, আজকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো সার ক্রয় ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য মসুর ডাল ক্রয়। আমরা অনুমোদন দিয়েছি। এর জন্য যা অর্থকড়ি লাগে সেটা ফরেন কারেন্সিতে হোক, আমরা দেবো। এটা দ্রুতই করতে হবে।