‘১৫ শতাংশ ভ্যাট হয়ে যাওয়া পকেট কাটার শামিল’

এক হাজার টাকার খাবার খেলে ভ্যাটই দিতে হবে ১৫০ টাকা! আর বার্গার বা পিজ্জা খেলে সেই ভ্যাট গিয়ে দাঁড়াবে ২৫০ টাকা। ভ্যাটের এমন চাপে ক্ষুব্ধ গ্রাহক ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে অতিরিক্ত ভ্যাটের বোঝা বাড়তি চাপ। 

শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিন ধানমন্ডির এক রেস্টুরেন্টে খেতে আসেন নুসরাত তামিমা। খাবার অর্ডার করা আগ মুহূর্তে জানতে পারেন অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ভ্যাটের কথা। প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, পাঁচ শতাংশ ভ্যাট থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট হয়ে যাওয়া পকেট কাটার শামিল।

মানসম্পন্ন রেস্টুরেন্টের খাবারের ওপর বৃহস্পতিবার ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। অর্থাৎ, এক হাজার টাকার খাবার খেলে ১৫০ টাকা দিতে হবে ভ্যাট। যা আগে ছিলো পাঁচ শতাংশ বা এক হাজার টাকায় ৫০ টাকা। অর্থাৎ, এখন থেকে হাজার টাকার খাবারে অতিরিক্ত গুনতে হবে আরও ১০০ টাকা।

ভ্যাট বাড়ানোর এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী ও গ্রাহকরা বলছেন, এই অতিরিক্ত ভ্যাট রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে বড় বাধা।

অপরদিকে গ্রাহকরাও হতাশ খরচ বেড়ে যাওয়ায়। তারা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে, খরচ কমনোর জায়গায় আরও বাড়িয়েছে সরকার।

শুধু রেস্টুরেন্টই নয়, টিস্যু পোশাক , ড্রাইফুড কিংবা জুস খেলেও বাড়তি ভ্যাট গুনতে হবে এখন থেকে।