শেয়ার কেনায় সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে বাজারে নতুন বার্তা দিল বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন- বিএসইসি।
বাজার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সূচক আট হাজার ওঠা পর্যন্ত মার্জিন ঋণে সর্বোচ্চ ঋণ সুবিধা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত, দুর্বল ও ছোট কোম্পানির শেয়ার নিয়ে কারসাজির সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে, এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।
প্রতিদিনই সূচক, লেনদেন ও বাজার মূলধনে পুরনো রেকর্ড ভাঙছে শেয়ারবাজার। গেলো এক মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্সে যোগ হয়েছে ৪৪১ পয়েন্ট।
এতেই এক দশকে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছে এই সূচক। লেনদেন ছুয়েছে তিন হাজার কোটির ঘর। বাজার মূলধন পৌঁছেছে সাড়ে পাঁচ লাখ কোটিতে।
বাজারের এমন ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় শেয়ার কেনায় ঋণসীমা সর্বোচ্চ স্তরে বাড়িয়ে গেলো ১২ আগস্ট নির্দেশনা জারি করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন-বিএসইসি।
এতে বলা হয়, ডিএসইএক্স আট হাজার পয়েন্টে উঠা পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনায় ১০০ টাকা বিনিয়োগে ৮০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন।
আরও পড়ুন: করোনাকালের নতুন জীবনচক্রে বিপর্যস্ত কোহলির ব্যাট
বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামের যুক্তি ফোর্সড সেল ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত। উড়িয়ে দিলেন কারসাজির সম্ভাবনাও।
তবে বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মতে, মার্জিন ঋণের অনুপাত বাড়ানোর এমন সিদ্ধান্ত অবিবেচনা প্রসূত। এটি দুর্বল ও ছোট কোম্পানির শেয়ারের দাম আরো বাড়িয়ে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএসইসির এমন সিদ্ধান্ত বিশ্বের সব শেয়ারবাজার, এমনকি কমিশনের নীতিরও পরিপন্থী।
এতোদিন সার্বিকভাবে শেয়ারদর বাড়লে মার্জিন ঋণের হার কমবে আর শেয়ারদর কমলে মার্জিন ঋণ বাড়বে-এ নীতিতে চলছিলো কমিশন।
একাত্তর/আরবিএস