করোনাকালীন সময়ে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজশাহীতে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছ দেশি-বিদেশি ফলের দাম। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার চেয়ে ফলের যোগান কম থাকার পাশাপাশি কয়েক দফায় হাত-বদলে বাড়ছে ফলের দাম।
আর সিন্ডিকেটের কারণে বাড়ছে আমদানিকৃত ফলের দাম। যদিও খুচরা বাজারে ফলের দাম বিক্রেতারাই বাড়াচ্ছেন খেয়াল-খুশিমত, বলছেন আমদানিকারকরা।
এদিকে বিদেশী ফলের চেয়ে দেশীয় ফলেই পুষ্টিগুণ বেশি জানিয়ে, প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে দেশীয় ফল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
করোনাকালীন সময়ে চাহিদা বেড়েছে বিদেশি ফল মালটার। চাহিদার সাথে সাথে বাড়ছে দামও। গত ১৫ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১৪০ টাকার মালটা গিয়ে দাড়িয়েছে ২৪০ টাকায়।
শুধু মালটাই নয়, মহানগরীর ফলের দোকানগুলোতে ৩৫০ টাকার আঙ্গুর ৪০০ টাকা, আপেল ১৬০ থেকে ২২০, বেদেনা কেজিপ্রতি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি। এছাড়াও কেজি প্রতি গড়ে ৫০ টাকা করে বেড়েছে লটকন, নাসপাতি ও আনারসের দামও। বিক্রেতারা বলছেন, দামের বিষয়ে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি তারা।
তবে ভিন্ন কথা বলছেন আমদানিকরকরা। সিন্ডিকেট করে কাঁচাপন্যের দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় জানিয়ে খুচরা বাজারে ফলের দাম বৃদ্ধিতে খুচরা বিক্রেতাদের স্বেচ্ছাচারিতাকেই দুষছেন তারা। যদিও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ী নেতারা।
এদিকে রামেক হাসপাতালের ডা. হারুন-আর-রশীদ, বিদেশী ফলের উপর নির্ভরশীল না হয়ে, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দেশীয় ফল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।
খনিজের পাশাপাশি শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও আয়রনের চাহিদা পূরনের অন্যতম উৎস ফল। তাই সবার জন্য ফলের চাহিদা নিশ্চিত করতে বাজারে মনিটরিং জোড়ালো করার দাবি সাধারন ভোক্তাদের।
একাত্তর/ এনএ