এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: উত্তরার যানজট কমলেও ফার্মগেটে বৃদ্ধির শঙ্কা

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উত্তরা অংশে যানজট কমলেও, ফার্মগেট অংশে বৃদ্ধির শঙ্কা করছেন যাত্রীরা। তাদের মতে ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে এক্সপ্রেসওয়ের একটি পথ নামানো হয়েছে। এই অংশে গাড়ির চাপ থাকে। সেইসাথে যুক্ত হবে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে আসা গাড়ির চাপ।

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠা ও নামার জন্য ৩১টি র‌্যাম্প বা পথ থাকছে। এর মধ্যে এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত র‌্যাম্প আছে ১৫টি। উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই অংশের যান চলাচল শুরু হবে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

বনানী ও ফার্মগেট এলাকায় যানজট বরাবরের চিত্র। এই অংশেও থাকছে উড়াল পথের দুটি র‌্যাম্প।

ফার্মগেটে অংশের নামার পথ দেখেই বোঝা যায় এখানে মূল সড়ক কতোটা সরু হয়েছে। আবার এই পয়েন্টেই আছে মেট্রোরেল থেকে ওঠা-নামার পথও। ফলে এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল শুরু হলে এখানে গাড়ির বাড়তি চাপে তৈরি হবে যানজট। এতে ব্যাহত হতে পারে এক্সপ্রেসওয়ের মূল উদ্দেশ্য।

আর এটিকেই প্রাথমিক সমাধানের একটি উপায় হিসেবে দেখছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এএইচএমএস আকতার বলেন, আমরা এখন ৬০ কিলোমিটার বলছি মূল সেতুতে। আর র‌্যাম্পে বলছি ৪০ কিলোমিটার।

এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ণ সুবিধা পেতে হলে ওঠানামার পথ রাখতেই হবে। পুরো পথ চালু হলে যানজট সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে বলেও মনে করেন সেতু সচিব মনজুর হোসেন।

তিনি বলেন, এই জায়গায় কেউ যদি মনে করে- যে স্পিডে সাড়ে ১১ কিলোমিটার চলে যাবো, সেই গতিতেই নেমে যাবো, তা হবে না।

এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশটুকুর বাইরে উড়াল পথের বাকি ৮ দশমিক ২৩ কিলোমিটার পথ খুলে দেয়া হচ্ছে আগামী বছর। সেখানে থাকছে আরও ১৬টি র‌্যাম্প।