কাজের মেয়ে হত্যায় পারভিন ডলি যশোর থেকে গ্রেফতার

নৃশংসভাবে শারীরিক নির্যাতনে ১০ বছর বয়সী কাজের মেয়ের হত্যাকারী সাথী পারভিন ডলিকে যশোর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, খুনের আগের দিন পা দিয়ে শিশুটির গলা চেপে ধরেছিলেন সাথী। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

১০ বছর বয়সী মা-বাবাকে হারানো হেনা কাজ করতেন রাজধানীর সেন্ট্রাল রোড ভূতের গলি এলাকায় সাথী আক্তারের বাসায়। প্রায়ই ছোট ছোট বিষয় নিয়ে শিশুটিকে নির্যাতন করতো গৃহকর্ত্রীর সাথী। গত ২৪ আগস্ট শিশু গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, নির্মমভাবে নির্যাতনের প্রমাণ। পরে, তাকে হত্যা করে বাসায় তালা দিয়ে পালিয়ে যায় সাথী পারভিন।

লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় সাথীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করে। পরে সাথী পারভীনকে যশোর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

রমনা বিভাগের ডিসি আশরাফ হোসেন জানান, আমরা প্রাথমিকভাবে জেনেছি- বাচ্চা খাবার খেয়ে ফেলতো বলে তিনি এই ধরনের নির্যাতন চালাতেন।

খুনের আগের দিন পা দিয়ে শিশুটির গলা চেপে ধরেছিলেন সাথী পারভিন ডলি।

আশরাফ হোসেন জানান, আগে-পরে চড়-থাপ্পড় দিলেও শেষদিকে গলায় পা দিয়ে চেপে ধরাসহ আরও কঠোর নির্যাতন চালাতেন অভিযুক্ত নারী।

গৃহকর্মী হেনা তিন বছর ধরে পারভীন আক্তার ডলির বাসায় বলেও জানান।