দুই ভাই মিলে তৈরি করেছেন মোটরসাইকেল চোর চক্র। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে তারা পাঠিয়ে দেন প্রত্যন্ত এলাকায়। লাখ টাকার চোরাই বাইক বিক্রি করেন মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকায়। দু’দফা অভিযান চালিয়ে দুই ভাইসহ এ চক্রের চারজনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ২১টি চোরাই মোটরসাইকেল।
সংঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর। আপন দুই ভাই এই চক্রের মূল হোতা। সিসি ক্যমেরায় ফুটেজ জানান দিচ্ছে তাদের কর্মকাণ্ড। বাড্ডা এলাকায় পার্ক করা মোটরসাইকেলে চোখ দুই ভাইয়ের। কিছুক্ষণ পর একটি মোটরসাইকেল চুরি করে পালিয়ে যায় দুই ভাই।
আরেকটি ফুটেজে দেখা মেলে এক ভাইয়ের। এখান থেকে পার্কিং করা একটি মোটরসাইকেল চুরি করতে দেখা যায় তাকে।
দুই ভাই রিপন মাতব্বর ও বাদল মাতব্বরকে ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানী থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১০টি চোরাই মোটরসাইকেল। মাস্টার কি দিয়ে মাত্র চার-পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই একটি মোটরসাইকেল নিয়ে উধাও হয়ে যান তারা।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, অভিযুক্তরা নিজেরাই চাবি বানান। তারা স্বীকার করেছেন, দুই-তিনশ’ মোটরসাইকেল তারা চুরি করেছেন।
দুই ভাইয়ের দেয়া তথ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের আরও এক সহযোগীকে। উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১১টি চোরাই মোটরসাইকেল। পুলিশ বলছে, এসব চোরাই বাইকের মূল ক্রেতা জেলা উপজেলার।
হারুন অর রশিদ জানান, চোরাই মোটরসাইকেলগুলো থানা এলাকায় বেশি ব্যবহার হয়।
ডিবি বলছে, চার হাত হয়ে একটি চোরাই মোটরসাইকেল পৌঁছে যায় ক্রেতার কাছে। জেনে শুনে চোরাই বাইক কেনা ক্রেতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলছে পুলিশ।