এবারের ঈদ যাত্রায় দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভোগান্তির কারণ হতে পারে রাজধানীর পুরনো ঢাকার বাবুবাজার সড়ক। ঢাকা শহরের আশেপাশে অন্যান্য সড়কেও একই রকম অবস্থা। সরেজমিনে এসব সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ এলাকায় খোড়াখুড়ি শেষ হচ্ছে না, চলছে ড্রেন নির্মাণের কাজ।
যাত্রীরা বলছেন, ঈদের আগে কাজ শেষ না হলে, ঈদের ছুটিতে যাত্রায় ঢাকা থেকে বের হওয়ার মুখে মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বেন। তারা জানান, কিছুদিন আগেই পোস্তগোল সেতু মেরামতের সময়ই বিকল্প রাস্তা হিসেবে প্রতিদিনের চাপই সামাল দিতে পারেনি বাবুবাজার ব্রিজ, ঈদের সময় কি করে দিবে?
উপর দিয়ে প্রায় ২২ জেলার যানবাহন চলাচল করছে। ফলে এই এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দিচ্ছে
অথচ আর কয়েক দিন পরেই ঈদের ছুটি শুরু হবে। দক্ষিণাঞ্চের মানুষের চলাচলের পথ পোস্তগোলা সেতু (বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতু) ও বাবুবাজার সেতু (বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু)। কিন্ত নয়াবাজার ও বাবুবাজার সড়কটিতে প্রায় এক বছর ধরেই চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। সড়কের প্রায় অর্ধেক জুড়ে চলা ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষই হয় না।
রাস্তা জুড়ে রাখা হয়েছে ইট, বালু, সুরকি। আছে বড় বড় গর্ত। সুয়ারেজ পাইপও রাখা হয়েছে রাস্তার উপর। সরু রাস্তায় এক লাইনে কোন মতে চলছে যানবাহন। এতে বাবুবাজার সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত থেকে নাজিরেরবাগ এলাকা পর্যন্ত তীব্র যানজট থাকছে। এর মূলে নয়াবাজার এলাকার রাস্তার সংস্কার কাজ শেষ না হওয়া।
ঈদের ছুটিতে এই পথে যানবাহনের চলাচল আরও বাড়বে। পদ্মা সেতু দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ২২ জেলার মানুষ চলাচল করায় এই সড়কে স্বাভাবিকভাবে চাপ বাড়বে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার আগের পুরনো ঢাকার যানজট ভোগাবে বলেই মনে করছেন, এই পথে যানবাহন চালানো চালকরা।
শুধু তাই নয়, ভাঙ্গাচুড়া রাস্তায় রিক্সা ভ্যান চালাতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে চালকরা। তাদের প্রশ্ন সড়কের এই কাজ কি মাসের পর মাস ধরে চলতেই থাকবে? কিছু অংশে কাজ শেষ হলেও সেই রাস্তা আর মেরামত করা হয়নি। তাই ভোগান্তিতে পড়ছেন গাড়ি চালকরা। পুরো এলাকাজুড়ে যেনো ধুলার রাজত্ব।
সাধারণত উন্নয়ন কাজে পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকলেও, কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয় না। এমনকি দুর্ঘটনা ঠেকাতে রাখা হয় না নিরাপত্তামূলক কোন ব্যবস্থা।