জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিলো রোগী ও স্বজনদের। চিকিৎসার নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে কমিশন নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একাত্তর টেলিভিশনে প্রতিবেদনের পর, অভিযুক্ত এক ওয়ার্ডবয়কে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তিন মার্চ একাত্তরের ক্যামেরা দেখে দৌড়ে পালায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দালালখ্যাত ওয়ার্ডবয় শহীদুল ইসলাম।

সে একসময় এই হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি ছিল। কিন্তু নিজেকে বড় ডাক্তার পরিচয় দেয়। শহিদসহ কিছু অসাধু কর্মচারী হাসপাতালের রোগীদের কাছ থেকে সেবার নামে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুল বুঝিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে মোটা অংকের কামিশনও আদায় করে তারা।
একাত্তরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওয়ার্ডবয় শহীদুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। সেই সাথে জরুরি বিভাগের ছয় কর্মচারীকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

এদিকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আপাতত পাল্টে গেছে হৃদরোগ হাসপাতালের চিত্র। নেই কোন দালালের দৌরাত্ম্য। শুধু দালাল নয়। এই হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস চুরির ঘটনাও নিয়মিত। সেই সাথে হাসপাতালের সামনের বাগানে মাদকসেবীদের আখড়া।
হাসপাতাল চত্বর থেকে দালালচক্র ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছে কর্তৃপক্ষ।
