বর্ষায় দক্ষিণখানে চরম দুর্ভোগের শঙ্কা

দক্ষিণখান ও এর আশপাশের এলাকার সবগুলো সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। মাসের পর মাস যায়, কিন্তু সড়ক আর ঠিক হয় না। এলাকার সবগুলো সড়কই প্রায় অচল। খোলা নেই মুমূর্ষু রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের পথটাও। রাস্তার কাজ শেষ না হওয়ায়, আসছে বর্ষায় জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগের শঙ্কা করছেন এলাকার লোকজন।

ইউনিয়ন থেকে ঢাকা উত্তর সিটিতে নতুন যুক্ত হয়েছে দক্ষিণখান। সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হবার পর ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি নাগরিক বঞ্চনা, নির্বিঘ্ন নয় এলাকার সড়কে যান চলাচল।

এলাকার লোকজনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খুঁড়ে রাখা রাস্তার কারণে তাদের দৈনন্দিন জীবন এখন দুর্বিষহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আসছে বর্ষায় দুর্ভোগ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবার শঙ্কায় দিন পার করছেন তারা।

road2

এলাকাবাসীর দাবি, এলাকার সবগুলো সড়ক একসাথে খোঁড়াখুঁড়ি করে চরম বিপাকে ফেলা হয়েছে তাদের। ওয়াসা, তিতাসসহ সেবা সংস্থাগুলোর সাথে সিটি কর্পোরেশনে সমন্বয়হীনতার দুর্ভোগ মাত্রাছাড়া।

তারা বলছেন, আলাদা করে রাস্তার কাজ করা হলে বিকল্পভাবে মানুষ যাতায়াত করতে পারতেন। কিন্তু একসাথে সব কাজ শুরু হওয়ায় বেঁধেছে বিপত্তি।

তবে স্থানীয় কাউন্সিলরের দাবি, কাজের সময়সীমা ঠিক রাখতে সব সড়কে একসাথে কাজ করতে হচ্ছে।

road1

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডিএম শামিম বলেন, নাগরিক সেবা থেকে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে। তাই আমরা দ্রুত বর্ষার আগে সবকাজ শেষ করার চেষ্টা করছি।

২০১৭ সালে সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হলেও এই এলাকায় নেই নাগরিক সুবিধা। যা নিয়ে অসন্তোষ বাসিন্দাদের।