সরকারি প্রশাসনে নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক যেন না থাকে, সেই নীলনকশার কৌশলী পদক্ষেপ মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরুদ্ধে অপপ্রচার উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল বলেছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বৈষম্য নয় বরং সাম্য ও ন্যায়ের বাস্তবায়ন।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে মাওলানা আকরাম খাঁ মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে 'মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল, অপপ্রচার ও বাস্তবতা' শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি ও কোটার পক্ষে রিটকারী অহিদুল ইসলাম তুষার।
তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য, গুজব প্রচার করছে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র যা আদালত অবমাননা ও ফৌজদারি অপরাধ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কোটা প্রথা কোনো বৈষম্য নয় বরং বৈষম্য দূরীভূত করে ন্যায্যতা ও সাম্য সৃষ্টি করে। যা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত।
১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত যে শাসনকাল, সে সময় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিগৃহীত ও বঞ্চিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় সব ক্ষেত্র থেকে। যা তাদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবেও মেধা থাকা স্বত্বেও পিছিয়ে রেখেছে। ৯৬ থেকে ২০০১ সালে সরকারের আন্তরিকতা স্বত্বেও প্রশাসনে স্বাধীনতা বিরোধীদের আধিক্য মুক্তিযোদ্ধাদের কোটা সুবিধা প্রাপ্তিতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর সে কারণেই মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বিতীয় প্রজন্ম সেই কোটা সুবিধার বিস্তৃতি যৌক্তিক।
এই সব অপপ্রচাররে বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও প্রজন্ম, কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করবে বলেও সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বোয়াফ) সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়, সংবাদকর্মী ও অ্যাক্টিভিস্ট হাসান আহমেদসহ আরও অনেকে।