ছাগলকাণ্ডের মতিউরের ‘অবৈধ’ সম্পদের খোঁজে দুদক

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ‘অঢেল সম্পদ’ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর প্রকাশের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। 

এদিনই মতিউরকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলাত ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাকে সংযুক্ত করা হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য গত চার জুন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

‘ইতোমধ্যে একজন উপপরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। ওই টিমের সদস্যরা তাদের কাজও শুরু করেছেন,’ নিশ্চিত করেছেন দুদকের ওই সূত্রটি। 

motiur

কোরবানির ঈদে ঢাকার সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১২ লাখ টাকার একটি ছাগল কিনে আলোচনার জন্ম দেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। এছাড়া কেনেন আরো কয়েক লাখ টাকার গরু। 

এ খবর প্রকাশ্যে আসার পর রাজস্ব কর্মকর্তার ছেলের কোরবানির খরচ দেখে আঁতকে ওঠে সাধারণ। প্রশ্ন জাগে, জনগণের কাছ থেকে কর আদায় করে সেই অর্থ বিলাসী জীবনে ঢালা হচ্ছে কিনা। 

আর প্রশ্ন ওঠা শুরু হওয়ার পরেই মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাতকে নিজের ছেলে হিসেবে অস্বীকার করেন মতিউর রহমান।

কিন্তু তাতেই ঘটনা থেমে থাকেনি। রাজস্ব বোর্ডের প্রভাবশালী এই কর্মকর্তার অঢেল অর্থ সম্পদের খবর বেরিয়ে আসে সংবাদমাধ্যমে। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, কোম্পানিতে শেয়ার, জমি, বাড়ি, গাড়িসহ নজিরবিহীন সম্পদে তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসে।