ওমান সরকার চিকিৎসক, নার্স, প্রকৌশলী, শিক্ষকসহ ১২ ক্যাটাগরিতে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী।
মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত আবদুল গাফফার বিন আবদুল করিম আল-বালুশীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটিতে অবৈধ ৯৬ হাজার বাংলাদেশি অভিবাসীকে বৈধ করবে সরকার। অবৈধ অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফের বিষয়েও ভাবছে ওমান।
তিনি আর বলেন, এখন দক্ষ জনবল ভিসা পেলেও, অদক্ষ জনবল নেয়ার বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটিতে প্রস্তাবনা দেয়া হবে। ওমানকে একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ডেডিকেট করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আমরা চাই, আমাদের একটি টিটিসিতে ওমানের চাহিদামতো কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে।
সাক্ষাৎকালে বন্ধুপ্রতীম দুইদেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছাড়াও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের মধ্যে দ্রুত একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ওমানে দক্ষ জনবল প্রেরণের মাধ্যমে বন্ধুপ্রতীম দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন প্রমুখ।
এর আগে গত বছরের ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা দেয়া বন্ধ ঘোষণা করে ওমান। তবে চলতি বছরের ১২ জুন বাংলাদেশে স্থাপিত ওমান দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞা থেকে নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরিতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
অব্যাহতি দেয়া ক্যাটাগরিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফ্যামিলি ভিসা, জিসিসি বা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিজিট ভিসা, ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী, সব ধরনের অফিসিয়াল ভিসা এবং উচ্চ আয়ের আর্থিক ক্ষমতাসম্পন্ন পর্যটকদের ভিসা।